যমুনা ফিউচার পার্ক দেশকে তুলে ধরেছে বিশ্বে
jugantor
যমুনা ফিউচার পার্ক দেশকে তুলে ধরেছে বিশ্বে

  রকিবুর রহমান  

২২ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিলেন নুরুল ইসলাম। শিল্প অঙ্গনে নায়কের ভূমিকা পালন করেছেন। সততা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে কীভাবে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয়, তা তিনি শিখিয়েছেন। হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করেছেন। কেউ বলতে পারবে না তিনি দেশের বাইরে কোনো টাকা বিনিয়োগ করেছেন বা কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়েছেন।

অত্যন্ত দেশপ্রেমিক এবং পরিচ্ছন্ন ব্যবসায়ী ছিলেন। দেশকে ভালোবাসতেন বলেই এক টাকাও বিদেশে নেননি। তার যত মুনাফা সব দেশেই পুনঃবিনিয়োগ করেছেন। এ ধরনের শিল্পপতি আমাদের জন্য খুবই দরকার। শুধু তাই নয়, তার প্রতিষ্ঠিত যমুনা ফিউচার পার্ক সারা বিশ্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। যে মার্কেট আমরা দুবাই কিংবা আমেরিকাতে দেখেছি, ওনার কল্যাণে সেটি বাংলাদেশে এসেছে।

ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। যতবারই তার সঙ্গে কথা হয়েছে, আমি অভিভূত হয়েছি। তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং খুব সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। আরাম-আয়েশ করে টাকা খরচ করতেন না। সব সময়ই চিন্তা করতেন কীভাবে বিনিয়োগ করা যায়। বিষয়গুলো আমার কাছে খুবই অবাক লাগে। দেশপ্রেম না থাকলে এটি সম্ভব নয়। পুঁজিবাজারের ব্যাপারে তিনি ইতিবাচক ছিলেন। সব সময়ই এই বাজারের স্বচ্ছতা চেয়েছেন।

রকিবুর রহমান বলেন, নুরুল ইসলাম আমাকে এভাবে বলেছেন, ‘রকিব ভাই, তাদেরই শেয়ারবাজারে আসা উচিত, যারা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মেনে চলে এবং কোনোভাবেই বিনিয়োগকারীদের ঠকাবে না।’ তার প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর পুঁজিবাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের পক্ষে অত্যন্ত সাহসী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ফলে ওনার মতো উদ্যোক্তার জন্য আমরা গর্বিত।

যমুনা গ্রুপের ব্যাংকঋণ রয়েছে। কিন্তু সবকিছু আইন-কানুনের মধ্যে ঋণের অর্থ নিয়মিত পরিশোধ করেছেন। ঋণখেলাপি হয়েছেন, এমন কোনো অভিযোগ কেউ করেনি। আমরা আশা করছি, কর্পোরেট কালচারের কারণে ওনার অনুপস্থিতিতেও যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো সুনামের সঙ্গে টিকে থাকবে।

লেখক : পরিচালক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

যমুনা ফিউচার পার্ক দেশকে তুলে ধরেছে বিশ্বে

 রকিবুর রহমান 
২২ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিলেন নুরুল ইসলাম। শিল্প অঙ্গনে নায়কের ভূমিকা পালন করেছেন। সততা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে কীভাবে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয়, তা তিনি শিখিয়েছেন। হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করেছেন। কেউ বলতে পারবে না তিনি দেশের বাইরে কোনো টাকা বিনিয়োগ করেছেন বা কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়েছেন।

অত্যন্ত দেশপ্রেমিক এবং পরিচ্ছন্ন ব্যবসায়ী ছিলেন। দেশকে ভালোবাসতেন বলেই এক টাকাও বিদেশে নেননি। তার যত মুনাফা সব দেশেই পুনঃবিনিয়োগ করেছেন। এ ধরনের শিল্পপতি আমাদের জন্য খুবই দরকার। শুধু তাই নয়, তার প্রতিষ্ঠিত যমুনা ফিউচার পার্ক সারা বিশ্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। যে মার্কেট আমরা দুবাই কিংবা আমেরিকাতে দেখেছি, ওনার কল্যাণে সেটি বাংলাদেশে এসেছে।

ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। যতবারই তার সঙ্গে কথা হয়েছে, আমি অভিভূত হয়েছি। তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং খুব সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। আরাম-আয়েশ করে টাকা খরচ করতেন না। সব সময়ই চিন্তা করতেন কীভাবে বিনিয়োগ করা যায়। বিষয়গুলো আমার কাছে খুবই অবাক লাগে। দেশপ্রেম না থাকলে এটি সম্ভব নয়। পুঁজিবাজারের ব্যাপারে তিনি ইতিবাচক ছিলেন। সব সময়ই এই বাজারের স্বচ্ছতা চেয়েছেন।

রকিবুর রহমান বলেন, নুরুল ইসলাম আমাকে এভাবে বলেছেন, ‘রকিব ভাই, তাদেরই শেয়ারবাজারে আসা উচিত, যারা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মেনে চলে এবং কোনোভাবেই বিনিয়োগকারীদের ঠকাবে না।’ তার প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর পুঁজিবাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের পক্ষে অত্যন্ত সাহসী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ফলে ওনার মতো উদ্যোক্তার জন্য আমরা গর্বিত।

যমুনা গ্রুপের ব্যাংকঋণ রয়েছে। কিন্তু সবকিছু আইন-কানুনের মধ্যে ঋণের অর্থ নিয়মিত পরিশোধ করেছেন। ঋণখেলাপি হয়েছেন, এমন কোনো অভিযোগ কেউ করেনি। আমরা আশা করছি, কর্পোরেট কালচারের কারণে ওনার অনুপস্থিতিতেও যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো সুনামের সঙ্গে টিকে থাকবে।

লেখক : পরিচালক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

 

 

ঘটনাপ্রবাহ : যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম