একদিকে বিষণ্ন প্রেম অন্যদিকে উচ্ছল রোমান্স
আনন্দনগর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
এক সিনেমায় আবেগের গভীরতা, অন্য সিনেমায় প্রাণখোলা রোমান্স। পরপর দুটি ভিন্নধর্মী রোমান্টিক সিনেমায় অভিনয় করে আলোচনায় রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ‘তেরে ইশক মে’ এবং ‘ককটেল ২’, দুটি সিনেমার চরিত্র ও আবহ সম্পূর্ণ আলাদা হলেও, একজন অভিনেত্রী হিসাবে এমন বৈচিত্র্যই তাকে সবচেয়ে বেশি টানে বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কৃতি বলেন, একই ধরনের চরিত্রে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। বরং ভিন্ন ভিন্ন আবেগ ও মানসিকতার চরিত্রে অভিনয়ের মধ্যদিয়েই নিজের অভিনয় দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে চান। অভিনেত্রীর মতে, ‘তেরে ইশক মে’ তার জন্য ছিল একটি আবেগনির্ভর ও মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা। সিনেমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে তাকে অনেক বেশি আবেগ বিনিয়োগ করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, “দুটি সিনেমাই আমি উপভোগ করেছি, কারণ তারা আমাকে ভিন্নভাবে চ্যালেঞ্জ করেছে। ‘তেরে ইশক মে’ ছিল আবেগের দিক থেকে খুবই তীব্র। একজন অভিনেত্রী হিসাবে এটি আমার কাছ থেকে অনেক কিছু দাবি করেছে। সিনেমার কাজ শেষ করার পর আমি মানসিকভাবে বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।” এমন অবস্থায় ‘ককটেল ২’-এর প্রস্তাব তার কাছে স্বস্তির মতো এসেছে বলে জানান কৃতি। কারণ সিনেমাটি তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের একটি চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘ককটেল ২’ আমার কাছে সতেজ অনুভূতি নিয়ে এসেছে। এখানে আমি আরও হালকা, আনন্দময় এবং একটু ব্যতিক্রমী এক চরিত্রের শক্তি খুঁজে পেয়েছি। আমি মনে করি না একটি অন্যটির চেয়ে ভালো। বরং আমি উপভোগ করি যে, আমি ভিন্ন ভিন্ন জগতের মধ্যে বিচরণ করতে পারি।’
বলিউড বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দর্শক তারকাদের কাছ থেকে শুধু জনপ্রিয়তা নয়, অভিনয়ের বৈচিত্র্যও প্রত্যাশা করেন। সেই জায়গা থেকেই কৃতির এ দুটি ছবি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ‘তেরে ইশক মে’তে তাকে দেখা যাবে আবেগের জটিল স্তরে নির্মিত একটি চরিত্রে, আর ‘ককটেল ২’-এ তিনি হাজির হবেন হালকা মেজাজের রোমান্টিক এক রূপে। কৃতির এ সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে, বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতারা শুধু বাণিজ্যিক সাফল্যের জন্য নয়, বরং নিজেদের অভিনয়-পরিসরকে বিস্তৃত করতেও সচেষ্ট।
