Logo
Logo
×

নগর-মহানগর

যশোরের ৬টি আসন

শতভাগ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

ইন্দ্রজিৎ রায়

ইন্দ্রজিৎ রায়

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শতভাগ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

ফাইল ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি আসনে ৮২৪টি ভোটকেন্দ্রের প্রত্যেকটিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার অতিগুরুত্বপূর্ণ ৭১টিসহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ সদস্যদের বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইলকোর্ট কাজ করবে। ইতোমধ্যে ভোটের মাঠে কাজ করছে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

জানা যায়, যশোরের ৬টি আসনে ৮২৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ১২৮টির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৯৩টি কেন্দ্র। এ আসনটিতে জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যশোর-১ (শার্শা) আসনে ১০২টির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি কেন্দ্র।

যশোর-২ (ঝিকরগাছা ও চৌগাছা) আসনে ১৭৫টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৪৫টি। এর মধ্যে চৌগাছায় ৮১টির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ২৩টি এবং ঝিকরগাছায় ৯৪টির মধ্যে ২২টি ভোটকেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ। যশোর-৩ (সদর) আসনে ১৯০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে ১৪৮টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৪২টি। যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৮১টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ২১টি। প্রত্যেকটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এতে শতভাগ কেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এসেছে।

এ প্রসঙ্গে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তিনজন করে পুলিশ সদস্য থাকবে। দুই শতাধিক স্ট্রাকিং ফোর্স থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে তিনজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য থাকবে। প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করবে। ৭১ জন পুলিশ সদস্যের শরীরে স্থাপন করা থাকবে ক্যামেরা। সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে ওই ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ সব সদস্য দেখতে পারবে। কোথাও কোনো গোলযোগ হলে রিজার্ভ ফোর্স সেখানে দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছাবে। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইলকোর্ট কাজ করবে।

যশোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রথম শতভাগ ভোটকেন্দ্র নজরদারির আওতায় এসেছে। অতিগুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। ভোটকেন্দ্রে সশস্ত্র পুলিশ, আনসার, নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটসহ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি বডি ওর্ন ক্যামেরা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, যশোর ৬টি আসনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ভোটের কাজে নিয়োজিত থাকবে ১৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী। ১১ ডিসেম্বর থেকে ১১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছে। সোমবার থেকে আরও ৪০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যুক্ত হয়েছে।

ঘটনাপ্রবাহ: ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন


আরও পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম