প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা
রাজশাহীর ১১ স্কুলের শিক্ষার্থীর ফলাফল নেই
রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সদ্য প্রকাশিত ২০২৫ সালের প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে গুরুতর অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী মহানগরীর ১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৩৮ শিক্ষার্থীর কোনো ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, এই ১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোনো ফলাফলই নেই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দেওয়া অনলাইন লিংকে। তাদের আশঙ্কা এসব বিদ্যালয়ের ২৩৮ শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র হারিয়ে গেছে অথবা ফলাফল প্রস্তুতে গুরুতর কোনো ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে। অধিদপ্তর থেকে জেলা শিক্ষা অফিসে যে ফলাফল পাঠানো হয়েছে সেখানেও এসব বিদ্যালয়ের কোনো ফলাফল নেই।
জানা গেছে, ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সবাই রাজশাহীর উপশহর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। ১২ জুলাই প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়। যেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ হয়নি সেগুলো হলো- রাজশাহী উপশহর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তেরখাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অন্নদা সুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়বনগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোটবনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আটকোষি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিরোইল কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেলওয়ে স্টেশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোরহাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কৃষ্ণকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রাজশাহী বোর্ড মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা শেষে নিয়মানুযায়ী উত্তরপত্র জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়। সেখান থেকে মূল্যায়নের জন্য অন্য জেলায় পাঠানো হয়েছিল। মূল্যায়ন শেষে ফলাফল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। কিন্তু এককেন্দ্রের ১১ বিদ্যালয়ের কারোরই ফলাফল নেই ওয়েব লিংকে। বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।
রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা কিছুটা বিব্রত। অভিভাবকরা লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন। তাদের অভিযোগগুলো অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উত্তরপত্র হারিয়ে গেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এতোগুলো উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ফলাফল প্রস্তুতের সময় কোনো কারিগরি ত্রুটি ঘটে থাকতে পারে। এতোগুলো স্কুলের একজনেরও ফলাফল না আসাটা অস্বাভাবিক বলে মনে করেন তিনি।
