Logo
Logo
×

প্রথম পাতা

কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কারণ আমরা সব সময় দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকি। শুক্রবার ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইফতারের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।’

এ সময় তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি সমর্থন দিতে ঢাকায় নিযুক্ত কূটনৈতিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুদৃঢ় রাখা, নারীদের আরও বেশি ক্ষমতায়ন ও উৎসাহ প্রদান এবং নতুন উদ্যোক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর সরকারের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসঙ্গে শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। শুভেচ্ছা বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সমমর্যাদা, পারস্পরিক স্বার্থ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়।’

ইফতার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। টেবিলে তার ডান পাশে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান। বাম পাশে ছিলেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে বসে ইফতার করেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কারমা হামু দর্জি, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূত ধর্মপাল বীরাককোডি।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রাজিল, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, থাইল্যান্ড, কাতার, ওমানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা ইফতারে অংশ নেন।

সরকারের মন্ত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, খলিলুর রহমান, মিজানুর রহমান মিনু, জহির উদ্দিন স্বপন, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, খন্দকার মুক্তাদির চৌধুরী, জাকারিয়া তাহের সুমন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, শেখ রবিউল আলম, আরিফুল হক চৌধুরী, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শামা ওবায়েদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন-রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন। বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এমামুল হক চৌধুরী, জিয়া উদ্দিন হায়দার ও রাশেদুল হক। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম