|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের ধারণা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। একসময় যেখানে স্থায়ী চাকরি ছিল সাফল্যের মানদণ্ড, আজ সেখানে ‘ফ্রিল্যান্সিং’ একটি আকর্ষণীয় বিকল্প পেশা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সময়ের স্বাধীনতা, ঘরে বসে আয় এবং বৈশ্বিক বাজারে কাজের সুযোগ-সব মিলিয়ে এটি প্রচলিত চাকরির বিকল্প ব্যবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, সেখানে ফ্রিল্যান্সিং অনেকের জন্য আশার আলো। তবে এই সম্ভাবনার আড়ালে লুকিয়ে আছে অনিশ্চয়তার বাস্তবতা। নির্দিষ্ট আয় ও নিয়মিত কাজের অভাব এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাহীনতা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো পেনশন, স্বাস্থ্যবিমা বা চাকরির স্থায়িত্ব না থাকায় তাদের পুরো ঝুঁকি নিজেকেই বহন করতে হয়। পাশাপাশি, ক্লায়েন্ট ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা-সবকিছু একাই সামলাতে হয়, যা মানসিক চাপও তৈরি করে। এছাড়া, ফ্রিল্যান্সিংকে সহজ আয়ের পথ হিসাবে দেখার প্রবণতা অনেককে ভুল পথে পরিচালিত করছে। বাস্তবে এ খাতে সফল হতে হলে প্রয়োজন দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
আবদুল্লাহ আল মুহিত, শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
