ফরিদপুরে ৪টি আসন
২৮ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ১৯ জন
ফরিদপুর ব্যুরো
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ২৮ প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনই জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থাৎ প্রার্থীদের ৬৮ শতাংশই ন্যূনতম ভোট পাননি। জামানত হারানোর তালিকায় যেমন রয়েছেন ছোট দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্ররা, তেমনি আছেন ১০ টাকা কেজি দরে ইলিশ বিক্রি করে আলোচনায় আসা জাতীয় পার্টির আলোচিত প্রার্থী রায়হান জামিল। এছাড়া একজন নারী প্রার্থীও জামানত হারিয়েছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও ১৯৭২) অনুযায়ী, জামানত রক্ষা করতে হলে আসনের মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হয় প্রার্থীকে। এরকম পেলে প্রার্থীর জামানত সরকারি কোষাগারে জমা হয়ে যায়। ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী-মধুখালী, আলফাডাঙ্গা) আসনে মোট আটজন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনই জামানত হারিয়েছেন। এখানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের ইলিয়াস মোল্লা। ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে মোট ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে চারজন জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির শামা ওবায়েদ। ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনেও ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে চারজন জামানত হারিয়েছেন। জয়লাভ করেছেন বিএনপির নায়াব ইউসুফ। ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন জামানত হারিয়েছেন। বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির শহিদুল ইসলাম বাবুল।
আলোচিত প্রার্থীদের ভরাডুবি : ফরিদপুর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসাবে ১০ টাকা কেজি দরে ইলিশ বিক্রির ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া রায়হান জামিল মাত্র ৫৫০ ভোট পেয়েছেন। তিনি জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া ফরিদপুর-৩ আসনে একমাত্র নারী প্রার্থী আরিফা আক্তার বেবি জামানত হারিয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র ২৫১ ভোট।
