ময়নাতদন্ত পর্যবেক্ষণকারী চিকিৎসকের দাবি
আত্মহত্যা নয়, শ্বাসরোধে এপস্টেইনের মৃত্যু
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যু নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা ফরেনসিক প্যাথলজিস্ট ডা. মাইকেল ব্যাডেন। তিনি দাবি করেন, এপস্টেইনের মৃত্যু গলায় ফাঁস দিয়ে নয়, বরং শ্বাসরোধের কারণে হয়েছে। এপস্টেইনের মৃত্যুর কারণ নতুন করে তদন্ত করা উচিত বলে জানিয়েছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যাডেন জানান, নিউইয়র্ক মেডিকেল এক্সামিনার অফিসের দেওয়া তথ্যে তিনি মোটেও সন্তুষ্ট নন। এপস্টেইনের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত পর্যবেক্ষণের জন্য নিযুক্ত এই প্যাথলজিস্ট বলেন, ‘আমার অভিমত হলো, তার মৃত্যু শ্বাসরোধের কারণে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মৃত্যুর কারণ ও ধরন নিয়ে আরও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’ ব্যাডেন সরাসরি ময়নাতদন্ত না করলেও পরীক্ষা চলাকালীন পর্যবেক্ষক হিসাবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ব্যাডেন বলেন, ময়নাতদন্তের সময় মেডিকেল এক্সামিনার এবং আমি উভয়েই একমত হয়েছিলাম যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও ধরন নির্ধারণের জন্য আরও তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।’ তিনি জানান, ২০১৯ সালের ১১ আগস্ট ময়নাতদন্তের পর তার পর্যবেক্ষণ ছিল ‘অমীমাংসিত’। তবে ব্যাডেন দাবি করেন, মৃত্যুসনদে ‘তদন্তাধীন’ লেখার পাঁচ দিন পর নিউইয়র্কের তৎকালীন প্রধান মেডিকেল এক্সামিনার সেই সিদ্ধান্তটি পরিবর্তন করে এপস্টিনের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসাবে ঘোষণা করেন। কিন্তু সেই মেডিকেল এক্সামিনার ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন না। সরকারি ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এপস্টেইনের গলার তিনটি হাড় ভাঙার কথা উল্লেখ করা হয়। একটি বাম পাশের হাইওয়েড হাড় এবং থাইরয়েড কার্টিলেজের ডান ও বাম পাশে আরও দুটি। ব্যাডেন বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করা কোনো ব্যক্তির গলায় একই সঙ্গে এমন তিনটি হাড় ভাঙতে দেখিনি।’
