Logo
Logo
×

উপসম্পাদকীয়

শতফুল ফুটতে দাও

এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শপথ

ড. মাহবুব উল্লাহ্

ড. মাহবুব উল্লাহ্

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শপথ

ব্রিটিশ শাসনামলে, সম্ভবত স্বদেশি আন্দোলনের সময় বাংলার এক চারণ কবি গেয়েছিলেন, ‘স্বদেশ স্বদেশ করিসনেরে, এদেশ তোদের নয়।’ আমরা যারা বাংলাদেশের নাগরিক, তারা দুই দুইবার স্বাধীনতা দেখেছি। প্রথমবার ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়ে পাকিস্তান সৃষ্টির মাধ্যমে আমরা স্বাধীন হলাম। এ পাকিস্তান সৃষ্টিতে বাংলাদেশের জনগণের ঈর্ষণীয় অবদান ছিল। পূর্ব বাংলার মুসলিম জনগোষ্ঠী যে ঐকান্তিকতা নিয়ে পাকিস্তান দাবির পেছনে দাঁড়িয়েছিল, সেই ঐকান্তিকতা পশ্চিম পাকিস্তানি মুসলমানদের ছিল না। অথচ সেই স্বাধীনতার রেশ কাটতে না কাটতেই পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তানি জনগণের পাকিস্তান রাষ্ট্র সম্পর্কে মোহমুক্তি ঘটতে শুরু করল। এ মোহমুক্তি শুরু হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে, যা পরিণতি পায় ১৯৫২-এর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদানের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। পূর্ব পাকিস্তানবাসী বেশি কিছু দাবি করেনি। তারা চেয়েছিল উর্দুর পাশাপাশি বাংলা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হোক। খুবই ন্যায্য দাবি, কিন্তু পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার ও পূর্ব পাকিস্তানে তাদের সহযোগীরা এ ন্যায্যতা মানতে চায়নি। পাকিস্তান সৃষ্টিতে পূর্ব বাংলার জনগণ খুবই উৎফুল্ল ও আনন্দিত হয়েছিল। প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকায় পূর্ব বাংলাবাসীরা প্রাণ উজাড় করে দিয়ে পাকিস্তান সৃষ্টি উদযাপন করেছিল। ইতিহাসের ধারায় পাকিস্তান সৃষ্টি অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। এর ফলে পূর্ব বাংলার জনগণ বহু বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের জোয়াল থেকে মুক্তিলাভ করে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন উপনিবেশের জনগণকে শোষণের জাঁতাকলে ফেলে রক্তশূন্য করে ফেলে। এছাড়াও ছিল হিন্দু জমিদার, জোতদার ও মহাজনদের হাড় ভেদ করা শোষণ। এরূপ শোষণের অবসানের জন্যই পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তান সৃষ্টির প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছিল।

কিন্তু ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের কাঠামোতে শুধু ভাষার দাবিই অস্বীকৃত হয়নি। পূর্ব পাকিস্তানিরা চরম অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। পূর্ব পাকিস্তানের সোনালি আঁশ পাট, চা ও চামড়া রপ্তানি করে যে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হতো, তার বেশির ভাগই ব্যয়িত হতো পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য। পূর্ব পাকিস্তানে অর্জিত রাজস্বের সিংহভাগ কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ে যেত এবং তা পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হতো। এ কারণে মওলানা ভাসানী প্রাদেশিক পরিষদের বাজেট আলোচনায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, আমরা কি সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের গোলাম?

বঞ্চনাবোধ থেকেই পূর্ব পাকিস্তানবাসীর মনে স্বাধিকারের চেতনা দৃঢ়মূল হতে থাকে। এই চেতনার ফলে আওয়ামী মুসলিম লীগের কর্মসূচিতে স্বায়ত্তশাসনের দাবি অন্তর্ভুক্ত হয়। একই দাবি অন্তর্ভুক্ত হয় যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি কর্মসূচি ২১ দফায়। তারপর যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভাকে ভেঙে দেওয়ার জন্য ৯২-ক ধারার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসন জারি করা হয়। ওই সময় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসাবে নিয়োগ পান মেজর জেনারেল ইস্কান্দর মির্জা। ওই সময় মওলানা ভাসানী স্টকহোম শান্তি সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে ইউরোপে অবস্থান করছিলেন। মেজর জেনারেল ইস্কান্দর মির্জা দম্ভভরে ঘোষণা করলেন, মওলানা ভাসানী দেশে ফিরে এলে এমন এক দক্ষ বন্দুক চালককে দিয়ে তাকে গুলি করা হবে, যাতে নিশানা অব্যর্থ থাকে। যাই হোক, ইস্কান্দর মির্জা তার সেই দাম্ভিক ঘোষণা কার্যকর করতে পারেননি। পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল সমগ্র পাকিস্তানের ৫৬ শতাংশ, অন্যদিকে পশ্চিম পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল ৪৪ শতাংশ। কথা ছিল, তা সত্ত্বেও সম্পদ ও বিনিয়োগের ভাগাভাগি এবং ক্ষমতার বণ্টন হবে সংখ্যাসাম্য নীতির ভিত্তিতে। অর্থাৎ পশ্চিম পাকিস্তানিরা যা পাবে পূর্ব পাকিস্তানিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও তা-ই পাবে। পাকিস্তানের ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার জন্য পূর্ব পাকিস্তানিদের বিশাল ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। ত্যাগের এই বিধিলিপি লিপিবদ্ধ করা হয় ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ গৃহীত পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে। কিন্তু অধিকার ও সংখ্যানুপাতিক অর্থনৈতিক বণ্টন এবং ক্ষমতার দাবি পূর্ব পাকিস্তানবাসীর পক্ষ থেকে অব্যাহত রাখেন মওলানা ভাসানী। তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তীব্র মতপার্থক্য দেখা দিল মওলানা ভাসানীর। সোহরাওয়ার্দী ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এবং মওলানা ভাসানী ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি। এ দুজনের মতপার্থক্য তীব্রভাবে প্রকাশ পেল ১৯৫৭ সালে যখন কাগমারি সম্মেলনে মওলানা ভাসানী স্বায়ত্তশাসন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির দাবিতে অনড় অবস্থান গ্রহণ করলেন। মওলানা ভাসানী পশ্চিম পাকিস্তানকে আসসালামু আলাইকুম জানালেন। তার পক্ষে নীতিগত কারণে আওয়ামী লীগে থাকা সম্ভব হচ্ছিল না। তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করলেন। উল্লেখ্য, সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের একতা ও দৃঢ় সংহতির প্রবল প্রবক্তা ছিলেন। তিনি বলতেন, পাকিস্তানের একতা ও সংহতি নির্ভর করে দুটি বিষয়ের ওপর। এর একটি হলো পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স বা পিআইএ এবং অন্যটি হলো স্বয়ং তিনি। এ পরিস্থিতিতে শেখ মুজিবুর রহমান তার প্রিয় নেতা সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। অর্থাৎ তখনো শেখ মুজিব পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নে অবস্থান গ্রহণ করতে চাননি।

সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু এবং ’৬৫-এর পাক-ভারত যুদ্ধের পর ১৯৬৬-এর ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে ৬ দফাভিত্তিক পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবি উত্থাপন করা হয়। ৬ দফা ছিল স্বায়ত্তশাসনের অত্যন্ত কঠোর ও কঠিন দাবি। সোহরাওয়ার্দীপন্থি শেখ মুজিব হয়ে উঠলেন শেখ মুজিবপন্থি শেখ মুজিবুর রহমান। এটি পাকিস্তানের রাজনীতির ইতিহাসে এক অপার বিস্ময়।

শেখ মুজিবকে কারারুদ্ধ করা হলো এবং তার বিরুদ্ধে পাকিস্তান ভাঙার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হলো। ১৯৬৯-এ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে এক বিশাল গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়। মওলানা ভাসানী ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ পল্টন ময়দানের জনসভায় ঘোষণা করলেন, বাস্তিল দুর্গের ক্যান্টনমেন্ট ভেঙে আমরা শেখ মুজিবকে মুক্ত করে আনব। প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকায় সরকার ও সরকারদলীয়দের বিভিন্ন ভবনে অগ্নিসংযোগ করা হলো। চারদিকে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠল। বেসামাল প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ শেখ মুজিবকে আগরতলা মামলার অন্যান্য আসামিসহ সব রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে বাধ্য হলেন। সমস্যার সমাধানকল্পে একটি গোলটেবিল বৈঠক ডাকা হলো। কিন্তু এ বৈঠক থেকে কোনো সমাধান এলো না। পরিণতিতে ১৯৬৯-এর ২৫ মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসন জারি করলেন। তিনি সমগ্র পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করলেন। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু ইয়াহিয়ার সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে নানারকম টালবাহানা শুরু করে। জাতীয় সংসদের অধিবেশন পিছিয়ে দেওয়া হয়। চলতে থাকে সমস্যার সমাধানকল্পে শেখ মুজিবের সঙ্গে ইয়াহিয়ার বৈঠক। এরই আড়ালে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অস্ত্রশস্ত্র ও সৈন্যসামন্ত পূর্ব পাকিস্তানে আনা হয়। ১৯৭১-এ ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালিদের ওপর হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। এই হত্যাযজ্ঞ ছিল ইতিহাসের অন্যতম নির্মম গণহত্যাযজ্ঞ। পরবর্তীকালে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসাবে নির্ধারিত হয়। কিন্তু ১৯৭১-এর সেই দিনটিতে আমরা দৈহিকভাবে স্বাধীন হতে পারিনি। কিন্তু মনের দিক থেকে আমরা নিজেদের স্বাধীন ভেবেছিলাম। আমরা ভেবেছিলাম খুনিদের সঙ্গে থাকা যায় না। আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল চিরদিনের জন্য।

শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা না দিয়ে পাকবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। অন্যদিকে মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশবাসীর হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন লাভ করলেন। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনী ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পন করল। তারা মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেনি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি অথবা তাকে উপস্থিত থাকতে দেওয়া হয়নি। তার হেলিকপ্টারে রহস্যজনকভাবে গুলিবিদ্ধ করা হয়। হেলিকপ্টারটি সিলেটের মাটিতে জরুরি অবতরণ করে। এভাবেই মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের গৌরব ছিনতাই হয়ে যায়। বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার অপকৌশল করা হয়।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল তিনটি : সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ। এর কোনোটি আজ পর্যন্ত অর্জিত হয়নি। অর্থনৈতিক বৈষম্য এখন চরম আকার ধারণ করেছে। গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। অথচ বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ১৯৭৪-এ এদেশে হয়েছে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। এই দুর্ভিক্ষে অমর্ত্য সেনের তথ্য অনুযায়ী ১৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে ধারণা করা হয়। সরকারের হিসাবে দুর্ভিক্ষে মৃতের সংখ্যা ২৬ হাজার ৫০০। শেখ মুজিব সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম করেছিলেন। সরকারি মালিকানায় ৪টি সংবাদপত্র রেখে বাকি সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেন। কিন্তু তা এরশাদের সামরিক শাসনের কবলে পড়ে হারিয়ে যায়। বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য আপসহীনভাবে লড়াই চালিয়ে যান। ’৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানে এরশাদের পতন হলেও গণতন্ত্র টেকসই হতে পারেনি। ২০০৮ সালের সাজানো নির্বাচনে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেন। তার শাসনামলে কোনো নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। গুম, খুন, মামলা, হামলা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে ওঠে। ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা অলিগার্করা লোপাট করে নিয়ে যায়। বাংলাদেশ পরিণত হয় দারিদ্র্য, বেকারত্ব, গণতন্ত্রহীনতা ও ফ্যাসিবাদী নির্যাতনের এক কারাগারে। ২০২৪-এর রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থান আমাদের স্বাধীনতাকে নতুন করে চেনার সুযোগ করে দিয়েছে। এ অভ্যুত্থানের রক্তপিচ্ছিল পথ ধরেই ২০২৬-এর ১২ ফেব্রুয়ারি সুষ্ঠু নির্বাচনটি হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। এখন দেখার বিষয় এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের ৩টি লক্ষ্য : সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কতদূর যেতে পারবে। সন্দেহ নেই, দুর্গম গিরি, কান্তার মরু দুস্তর পারাপার পাড়ি দিতে হবে আমাদের।

ড. মাহবুব উল্লাহ : শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম