বাইডেনের শপথ নির্বিঘ্ন করতে ২০ হাজার সেনা মোতায়েন
jugantor
বাইডেনের শপথ নির্বিঘ্ন করতে ২০ হাজার সেনা মোতায়েন

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ জানুয়ারি ২০২১, ১৬:৫৯:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ড

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ নির্বিঘ্নে করতে ২০ হাজারের বেশি ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে ওয়াশিংটনে। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা ২০ জানুয়ারি ভয়াবহ সহিংস বিক্ষোভ দেখাতে পারে বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন। সেই শঙ্কা থেকেই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ফোর্বসের খবরে বলা হয়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে শহর জুড়ে ১৫ হাজার সেনা মোতায়েনের বিষয় জানানো হয়। তবে বুধবার ডি. সি পুলিশের প্রধান রবার্ট জে কনটি থ্রি সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, আরও ৫ হাজার সেনা অনুমোদন দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে তাণ্ডবের পর এই শপথ অনুষ্ঠনে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না মার্কিন প্রশাসন।

মিলিটারি টাইমসের খবরে বলা হয়, শপথ উপলক্ষে মোতায়েন হতে যাওয়া ফোর্স আফগানিস্তান ও ইরাকে এখন যত সোনা মোতায়েন রয়েছে তার দ্বিগুণ।

ইতিমধ্যে ক্যাপিটল হিলের আশপাশে ১৫ হাজার সেনাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ২০ তারিখের আগে সেখানে যোগ দেবে আরও ৫ হাজার সেনা। শুধু যে মেটাল ডিটেক্টর বসানো হয়েছে তাই নয়, ক্যাপিচটল হিলের চারধারে আটফুট উঁচু ধাতব দেওয়াল তৈরি করা হয়েছে।

সব সেনা সদস্যদের হাতে দেওয়া হয়েছে মারাত্মক অস্ত্র। যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের প্রতীক ক্যাপিটল হিলে এত সেনা সমাবেশ এর আগে কখনও দেখা যায়নি।

ন্যাশনাল গার্ডের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস, পাইট বোম্বস এবং ককটেলও থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তা প্রয়োগ করা হবে। আর এসব পরিকল্পনা রাখা হচ্ছে বাইডেনের শপথ অনুষ্টান ঘিরে।

আগামী ২০ জানুয়ারি প্রায় ১৬টি গোষ্ঠী প্রতিবাদ সমাবেশ করার কথা জানিয়েছে পুলিশকে।

বাইডেনের শপথ নির্বিঘ্ন করতে ২০ হাজার সেনা মোতায়েন

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৪:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ড
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ড। ফাইল ছবি

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ নির্বিঘ্নে করতে ২০ হাজারের বেশি ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে ওয়াশিংটনে।  বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা ২০ জানুয়ারি ভয়াবহ সহিংস বিক্ষোভ দেখাতে পারে বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন। সেই শঙ্কা থেকেই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ফোর্বসের খবরে বলা হয়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে শহর জুড়ে ১৫ হাজার সেনা মোতায়েনের বিষয় জানানো হয়। তবে বুধবার ডি. সি পুলিশের প্রধান রবার্ট জে কনটি থ্রি সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, আরও ৫ হাজার সেনা অনুমোদন দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  

গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে তাণ্ডবের পর এই শপথ অনুষ্ঠনে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না মার্কিন প্রশাসন। 

মিলিটারি টাইমসের খবরে বলা হয়, শপথ উপলক্ষে মোতায়েন হতে যাওয়া ফোর্স আফগানিস্তান ও ইরাকে এখন যত সোনা মোতায়েন রয়েছে তার দ্বিগুণ।

ইতিমধ্যে ক্যাপিটল হিলের আশপাশে ১৫ হাজার সেনাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ২০ তারিখের আগে সেখানে যোগ দেবে আরও ৫ হাজার সেনা। শুধু যে মেটাল ডিটেক্টর বসানো হয়েছে তাই নয়, ক্যাপিচটল হিলের চারধারে আটফুট উঁচু ধাতব দেওয়াল তৈরি করা হয়েছে।

সব সেনা সদস্যদের হাতে দেওয়া হয়েছে মারাত্মক অস্ত্র। যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের প্রতীক ক্যাপিটল হিলে এত সেনা সমাবেশ এর আগে কখনও দেখা যায়নি। 

ন্যাশনাল গার্ডের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস, পাইট বোম্বস এবং ককটেলও থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তা প্রয়োগ করা হবে। আর এসব পরিকল্পনা রাখা হচ্ছে বাইডেনের শপথ অনুষ্টান ঘিরে। 

আগামী ২০ জানুয়ারি প্রায় ১৬টি গোষ্ঠী প্রতিবাদ সমাবেশ করার কথা জানিয়েছে পুলিশকে। 

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০