ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানির অভিযোগ ‘নিষ্ঠুর মিথ্যা’
jugantor
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানির অভিযোগ ‘নিষ্ঠুর মিথ্যা’

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৪৫:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানির অভিযোগ ‘নিষ্ঠুর মিথ্যা’

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগকে নিষ্ঠুর মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছেন তার আইনজীবীরা।

নিজেদের পক্ষে সিনেটে এ সংক্রান্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপনও করেছেন তারা। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাজা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন আইনজীবী মাইকেল ভ্যান ডের ভিন।

গেল ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে উগ্রপন্থীদের দাঙ্গায় ট্রাম্প উসকানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। যদিও তিনি সেই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে আসছেন।

এ দিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, এখন সিনেটের অভিশংসন বিচারে তাকে যদি দোষী সাব্যস্ত করা না হয়, তবে তিনি ফের একই কাজ করতে পারেন।

সহিংসতায় ট্রাম্পের যোগসাজশ খুঁজতে বৃহস্পতিবার দাঙ্গাকারীদের নিজস্ব শব্দগুলো ব্যবহার করেছেন অভিশংসন কৌঁসুলিরা। তাদের দাবি, ৬ জানুয়ারির ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হয়েছে।-খবর বিবিসির

সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ প্রমাণে পুলিশ, ক্যাপিটল হিল ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং বিদেশি গণমাধ্যমের বিবরণ উপস্থাপন করেছেন ডেমোক্র্যাটরা।

শুক্রবার ট্রাম্পের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করবেন। দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ায় গত মাসে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি পরিষদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দ্বিতীয়বার অভিশংসন করা হয়।

চলতি সপ্তাহে সিনেটে সেই অভিশংসন বিচারের অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে। ট্রাম্পের আইনজীবীদের দাবি, গত মাসে যখন নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ করেন, তখন তিনি (ট্রাম্প) বাকস্বাধীনতার অধিকার কাজে লাগিয়েছেন।

অভিশংসন কৌঁসুলিদের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের অপরাধ প্রমাণের জন্য তিনটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

সহিংসতা দৃশ্যমান ছিল, ট্রাম্প সহিংসতাকে উৎসাহিত করেছেন ও তিনি নিজ ইচ্ছায় পরিকল্পিতভাবে ঘটনা ঘটিয়েছেন।

প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কংগ্রেসম্যান জ্যামি রাসকিন বলেছেন, ট্রাম্প নির্বাচনের ফল অস্বীকার করে আমেরিকার মানুষের অধিকারকে খর্ব করেছেন।

আমেরিকার জনগণ সংবিধানের প্রথম সংশোধনী রক্ষার জন্যই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু ট্রাম্প তা মেনে নিতে অস্বীকার করেন।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানির অভিযোগ ‘নিষ্ঠুর মিথ্যা’

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৪৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানির অভিযোগ ‘নিষ্ঠুর মিথ্যা’
ছবি: সংগৃহীত

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগকে নিষ্ঠুর মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছেন তার আইনজীবীরা।

নিজেদের পক্ষে সিনেটে এ সংক্রান্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপনও করেছেন তারা। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাজা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন আইনজীবী মাইকেল ভ্যান ডের ভিন।

গেল ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে উগ্রপন্থীদের দাঙ্গায় ট্রাম্প উসকানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। যদিও তিনি সেই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে আসছেন।

এ দিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, এখন সিনেটের অভিশংসন বিচারে তাকে যদি দোষী সাব্যস্ত করা না হয়, তবে তিনি ফের একই কাজ করতে পারেন।

সহিংসতায় ট্রাম্পের যোগসাজশ খুঁজতে বৃহস্পতিবার দাঙ্গাকারীদের নিজস্ব শব্দগুলো ব্যবহার করেছেন অভিশংসন কৌঁসুলিরা। তাদের দাবি, ৬ জানুয়ারির ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হয়েছে।-খবর বিবিসির

সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ প্রমাণে পুলিশ, ক্যাপিটল হিল ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং বিদেশি গণমাধ্যমের বিবরণ উপস্থাপন করেছেন ডেমোক্র্যাটরা।

শুক্রবার ট্রাম্পের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করবেন। দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ায় গত মাসে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি পরিষদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দ্বিতীয়বার অভিশংসন করা হয়।

চলতি সপ্তাহে সিনেটে সেই অভিশংসন বিচারের অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে। ট্রাম্পের আইনজীবীদের দাবি, গত মাসে যখন নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ করেন, তখন তিনি (ট্রাম্প) বাকস্বাধীনতার অধিকার কাজে লাগিয়েছেন।

অভিশংসন কৌঁসুলিদের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের অপরাধ প্রমাণের জন্য তিনটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। 

সহিংসতা দৃশ্যমান ছিল, ট্রাম্প সহিংসতাকে উৎসাহিত করেছেন ও তিনি নিজ ইচ্ছায় পরিকল্পিতভাবে ঘটনা ঘটিয়েছেন।

প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কংগ্রেসম্যান জ্যামি রাসকিন বলেছেন, ট্রাম্প নির্বাচনের ফল অস্বীকার করে আমেরিকার মানুষের অধিকারকে খর্ব করেছেন। 

আমেরিকার জনগণ সংবিধানের প্রথম সংশোধনী রক্ষার জন্যই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু ট্রাম্প তা মেনে নিতে অস্বীকার করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০