ছিলেন ২৩ বছরের তরুণী, রাতারাতি হয়ে গেলেন বৃদ্ধা!
jugantor
ছিলেন ২৩ বছরের তরুণী, রাতারাতি হয়ে গেলেন বৃদ্ধা!

  অনলাইন ডেস্ক  

৩১ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:১৯:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

থি ফুয়ং
থি ফুয়ং। ছবি- সংগৃহীত

২৩ বছরের ফুটফুটে তরুণী ছিলেন থি ফুয়ং। কিন্তু একদিন হঠাৎ করেই বৃদ্ধা হয়ে যান! আর এক পিস মাছ খেয়ে তার জীবনে এমন বিপর্যয় নেমে এসেছে।

অলৌকিক মনে হলেও বাস্তবে ঠিক এমনই ঘটেছে ভিয়েতনামে। 

মেকং ডেলটা অঞ্চলের বেন ট্রি এলাকার বাসিন্দা থি ফুয়ংয়ের এখন মুখভর্তি ভাঁজ, ঝুলে গেছে চামড়া।

জিনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে দুপুরের খাবারে মাছ খেয়েছিলেন গৃহবধূ থি ফুয়ং। তার পরই সারা শরীর চুলকাতে শুরু করেন তিনি। শরীরে শুরু হয় অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন। টাকা ছিল না। তাই সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যেতে পারেননি তিনি। 

স্থানীয় একটি ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনে খান। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। অ্যালার্জির জেরে ধীরে ধীরে বুড়িয়ে যেতে থাকেন তিনি। 

২০০৮ সালের ঘটনা হলেও দীর্ঘ ১২ বছরেও তার এই রোগ সারেনি।

চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, বিরল লাইপোডিসট্রফি অসুখে আক্রান্ত ফুয়ং। এই সিনড্রোমের চিকিৎসা নেই বললেই চলে। 

সারা বিশ্বে প্রায় দুই হাজার মানুষ এই বিরল রোগে আক্রান্ত। এই অসুখে ত্বকের নিচে পুরু ফ্যাটি টিস্যুর স্তর তৈরি হয়। ফলে চামড়া ঝুলে যায়। রোগী বুড়িয়ে যেতে শুরু করে।

ছিলেন ২৩ বছরের তরুণী, রাতারাতি হয়ে গেলেন বৃদ্ধা!

 অনলাইন ডেস্ক 
৩১ জানুয়ারি ২০২০, ০২:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
থি ফুয়ং
থি ফুয়ং। ছবি- সংগৃহীত

২৩ বছরের ফুটফুটে তরুণী ছিলেন থি ফুয়ং। কিন্তু একদিন হঠাৎ করেই বৃদ্ধা হয়ে যান! আর এক পিস মাছ খেয়ে তার জীবনে এমন বিপর্যয় নেমে এসেছে।

অলৌকিক মনে হলেও বাস্তবে ঠিক এমনই ঘটেছে ভিয়েতনামে।

মেকং ডেলটা অঞ্চলের বেন ট্রি এলাকার বাসিন্দা থি ফুয়ংয়ের এখন মুখভর্তি ভাঁজ, ঝুলে গেছে চামড়া।

জিনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে দুপুরের খাবারে মাছ খেয়েছিলেন গৃহবধূ থি ফুয়ং। তার পরই সারা শরীর চুলকাতে শুরু করেন তিনি। শরীরে শুরু হয় অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন। টাকা ছিল না। তাই সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যেতে পারেননি তিনি।

স্থানীয় একটি ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনে খান। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। অ্যালার্জির জেরে ধীরে ধীরে বুড়িয়ে যেতে থাকেন তিনি।

২০০৮ সালের ঘটনা হলেও দীর্ঘ ১২ বছরেও তার এই রোগ সারেনি।

চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, বিরল লাইপোডিসট্রফি অসুখে আক্রান্ত ফুয়ং। এই সিনড্রোমের চিকিৎসা নেই বললেই চলে।

সারা বিশ্বে প্রায় দুই হাজার মানুষ এই বিরল রোগে আক্রান্ত। এই অসুখে ত্বকের নিচে পুরু ফ্যাটি টিস্যুর স্তর তৈরি হয়। ফলে চামড়া ঝুলে যায়। রোগী বুড়িয়ে যেতে শুরু করে।