রোহিঙ্গাদের মাতৃভাষা রোয়াঈঙ্গা

  খন্দকার দেলোয়ার জালালী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:১৭ | অনলাইন সংস্করণ

রোহিঙ্গাদের নিয়ে লেখা “রক্তাক্ত রাখাইন” বইয়ের লেখক খন্দকার দেলোয়ার জালালী
রোহিঙ্গাদের নিয়ে লেখা “রক্তাক্ত রাখাইন” বইয়ের লেখক খন্দকার দেলোয়ার জালালী

মাতৃভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা

মায়ের ভাষাকেই সাধারণভাবে মাতৃভাষা বলা হয়ে থাকে। জন্মের পর থেকে একটি শিশু পরিবারের কাছ থেকে যে ভাষা আয়ত্ব করে। আবার মানুষ যে ভাষায় কথা বলতে সবচেয়ে পারদর্শীতা প্রদর্শন করে তাকেও মাতৃভাষা বলা হয়ে থাকে। মাতৃভাষা হচ্ছে একজন ব্যক্তির সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যান্ত গৌরবোজ্জল দিন হচ্ছে একুশে ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিতে শহীদ হন কয়েকজন ছাত্র। সালাম-বরকত-রফিক-জব্বার জীবন দিয়ে মায়ের ভাষার সম্মান রক্ষা করেছেন। সেই থেকেই একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের কাছে সম্মানের “শহীদ দিবস” হিসেবে পালিত। ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা

ঐতিহাসিকভাবে আরাকানি ভারতীয় বলা হয় রোহঙ্গিাদের। যারা শত শত বছর ধরে পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আদি বাসিন্দা। ২০১৬-১৭ সালে মিয়ানমারে রোহঙ্গিাদরে ওপর নির্যাতনের পূর্বে আনুমানিক ১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা মিয়ানমারে বসবাস করত। অধিকাংশ রোহিঙ্গা ইসলাম ধর্মের অনুসারি, আছে কিছু সংখ্যক হিন্দু ধর্মাবলম্বি রোহিঙ্গাও। ২০১৩ সালে জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের বিশ্বের অন্যতম নিগৃহীত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ১৯৮২ সালের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়েছে। এছাড়াও রোহিঙ্গাদের আন্দোলনের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় শিক্ষা এবং সরকারি চাকরির অধিকার হরণ করা হয়েছে। যদিও নিজ এলাকায় কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করার অধিকার ছিলো রোহিঙ্গাদের। রোহিঙ্গারা ১৯৭৮, ১৯৯১-১৯৯২, ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৬-২০১৭ সালে সামরিক নির্যাতন এবং দমনের সম্মুখীন হয়েছে। জাতিসংঘ ও হিউম্যান রাইটস্ ওয়াচ মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো দমন ও নির্যাতনকে জাতিগত নির্মূলতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। যেখানে গণহত্যার মত অপরাধের তথ্য প্রমাণ পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। এছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড পুলিশ এবং উগ্রবৌদ্ধ যুবকদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন অসংখ্য রোহিঙ্গা নারি। আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে হাজার হাজার বাড়ি-ঘর।

রোহিঙ্গাদের মাতৃভাষা

রোয়াঈঙ্গা ভাষা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের মাতৃভাষা। তবে রোয়াঈঙ্গা ভাষাকে রোহিঙ্গা ভাষাও বলা হয়। পশ্চিম মিয়ানমারের রখাইন রাজ্যের হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ ও খৃষ্টান সবাই রোয়াঈঙ্গা ভাষায় কথা বলেন। আর রাখাইনের সকল ধর্মের মানুষই রোহিঙ্গা জাতি হিসেবে পরিচিত। ঐহিহাসিকভাবে রোহিঙ্গা ভাষার নিজস্ব কোন বর্ণমালা নেই। রোয়াঈঙ্গা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের কথ্য ভাষা। আরবি, উর্দু, বর্মি ও হানিফি বর্ণমালা ব্যবহার করে রোয়াঈঙ্গা ভাষা লেখা হয়। প্রায় দু’শো বছর আগে থেকেই আরবিতে রোয়াঈঙ্গা ভাষা লেখা হতো। তবে, আরবি বর্ণমালা ব্যবহারে লেখা ও উচ্চারণে সমস্যা দেখা দেয়। ১৮২৬ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত রোয়াঈঙ্গা ভাষা লিখতে উর্দু ও ইংরেজি বর্ণমালা ব্যবহার হতো। ১৯৪৮ সালে বার্মা স্বাধীন হলে, সে দেশে সকল দাপ্তরিক কাজে বর্মি ভাষা ব্যবহার শুরু হয়। মৌলানা হানিফ ও তার সহকর্মীরা আরবি বর্ণমালার সঙ্গে কিছু রোমান বর্ণমালা ব্যবহার করে রোয়াঈঙ্গা ভাষা লেখার প্রচলণ করেন। এটা এখনো প্রচলিত আছে এবং হানিফি লিপি ইউনিকোডে রুপান্তরের কাজ চলছে। এছাড়া রোমান লিপিতে রোয়াঈঙ্গা ভাষা লিখতে ২৬টি রোমান বর্ণমালা ব্যবহার করা হয়েছে। ই.এম সিদ্দিক নামে এক রোহিঙ্গা এই লেখা পদ্ধতি প্রচলণ করেন।

মাতৃভাষা ও রোহিঙ্গাদের দুঃখ

আরবি, উর্দু ও রোমান বর্ণমালায় রোয়াঈঙ্গা ভাষা লেখা হলেও বাংলা বর্ণমালার সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু রোয়াঈঙ্গা ভাষা উচ্চারণে কক্সবাজারের আঞ্চলিক ভাষার সঙ্গে কিছুটা মিল আছে। রোয়াঈঙ্গা ভাষায় কিছু আরবি এবং উর্দু শব্দও ব্যবহার হয়। কিন্তু কক্সবাজারের আঞ্চলিক ভাষার সঙ্গে মিল থাকাটাই রোহিঙ্গাদের জন্য একটা অভিশাপ। ভাষাগত কিছুটা মিল থাকার কারণেই মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের বাঙালী বলে অপবাদ দেয়। এ কারণেই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বলতে চায়। মিয়ানমারে ১৩৫টি জাতিগোষ্টীর স্বীকৃতি থাকলেও রোহিঙ্গাদের কোন স্বীকৃতি নেই। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়েছে। হিন্দু রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার সরকার “ভারতীয় হিন্দু” পরিচয় পত্র দেয়। অনেক খৃষ্টান রোহিঙ্গাদের “চীনা খৃষ্টান” হিসেবে পরিচয় পত্র দেয়। কিন্তু রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য কোন পরিচয় পত্র নেই। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের সরাসরি বাঙালী বলে অপবাদ দেয়, যদিও বাঙালী শব্দে রোহিঙ্গারা অপমানবোধ করে। রোহিঙ্গারা কখনোই নিজেদের বাঙালী মনে করে না। তাছাড়া রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সংস্কৃতিগত কোন মিল নেই বাঙালীদের। অধিকাংশ রোহিঙ্গা মনে করেন বাংলা ভাষার সঙ্গে রোয়াঈঙ্গা ভাষার কিছুটা মিল থাকাকেই অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে মিয়ানমার সরকার। আবার মিয়ানমানের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর ভাষার অমিল থাকলেও, চেহারায় অনেকটা মিল আছে তাদের। কিন্তু তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা হিন্দু ও মুসলিমদের চেহারায় কোন মিল নেই। আবার বাঙালীদের চেহারার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের চেহারার মিল থাকার কারণেও রোহিঙ্গাদের বাঙালী বলে অপবাদ দেয় মিয়ানমার। এমন অজুহতেই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করছে দেশটি।

মাতৃভাষা শিক্ষার অধিকার নেই রোহিঙ্গাদের

রোহিঙ্গারা জানায় ২০০০ সালের পর থেকে আর রোহিঙ্গাদের উচ্চশিক্ষা নেয়ার অধিকার নেই রাখাইনে। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্টের পৈশাচিক হামলার আগ পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে রোহিঙ্গা শিশুরা বেসিক প্রাইমারি স্কুলে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত। বেসিক মিডল স্কুলে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত। আর নবম থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বেসিক হাইস্কুল পড়তে পেরেছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের চাকরি করার অধিকার নেই, তাই রাখাইনের ওইসব স্কুলে শিক্ষকতা করতো বৌদ্ধ যুবক-যুবতীরা। তারা অবশ্য চাকমা ভাষাতেই কথা বলতো। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোর শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যেতো না। এ ব্যাপারে টাইনশিপ অ্যাডুকেশন অফিসারের কাছে অভিযোগ দিলেও কোনো কাজ হতো না। রোহিঙ্গাদের অভিযোগ শিক্ষকরাই রোহিঙ্গা শিশুদের পড়াশোনায় অনাগ্রহী করতে অপচেষ্টা চালাতো। তবে, মিয়ানমারের সকল পাঠ্য পুস্তক লেখা হয় বর্মিজ ভাষায়। তাই রোয়াঈঙ্গা ভাষা শেখার আনুষ্ঠানিক কোন সুযোগই নেই রোহিঙ্গা শিশুদের। ২০০০ সালের আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারতো। তবে, তাদের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রবাসে থাকার অধিকার ছিলো না। সবাই লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়াশোনা করতে পারলেও, রোহিঙ্গা ছাত্রদের লাইব্রেরিতে প্রবেশাধিকার ছিলো না। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের বই খাতা কিনতে হতো, বেতন দিতে হতো রোহিঙ্গাদের। কিন্তু অন্যান্য জাতির ছাত্রদের জন্য বইপত্র ফ্রি, দিতে হতো না বেতনও। কিন্তু ২০০০ সালের পর থেকে নিজ গ্রাম থেকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে রোহিঙ্গা ছাত্রদের জেলা লেভেলের প্রশাসক ডেপুটি ডিরেক্টর এবং বিভাগীয় কমিশনার অফিস থেকে আর অনুমতি মেলে না। পদ্ধতিগত জটিলতার জালে আটকে দেয়া হয়েছে রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার অধিকার।

রোয়াঈঙ্গা ভাষায় সাংস্কৃতিক চর্চা

রোহিঙ্গারা জানায়, রোয়াঈঙ্গা ভাষায় সম্বৃদ্ধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঐতিহ্য রয়েছে। ২০১০ সাল পর্যন্ত ইয়াঙ্গুন রেডিও এবং টেলিভিশনে রোয়াঈঙ্গা ভাষায় প্রতিসপ্তাহে এক ঘন্টা করে অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার হতো। রোয়াঈঙ্গা ভাষায় আছে দেশের গান, ছড়াগান, জারি এবং পালাগান। এখনো রোহিঙ্গা ডেরায় ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা গেয়ে ওঠে “আরো ও সোনার দেশ তোয়ারে আরকান নামে আবাদ কইজ্জে কেরে..”। বিখ্যাত অনেক রোহিঙ্গা শিল্পীর গানের ক্যাসেট ও সিডি বিক্রি হতো দোকানে দোকানে। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্টের পৈশাচিক হামলায় জীবন বাঁচাতে লাখো রোহিঙ্গা যখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তখন শুধু হাহাকার ছিলো দু’মুঠো খাবার আর মাথা গোঁজার একটুকু ঠাই খুঁজতে। কিন্তু সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নিজ হাতে ত্রাণ তুলে দিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দাবির পাশাপাশি রোহিঙ্গা শিশুদের সকল অধিকার সুরক্ষিত করার দাবি জানান। বাংলাদেশে অবস্থানকালে রোহিঙ্গা শিশুদের চিকিৎসা ও লেখাপড়া নিশ্চিতের দাবিও জানান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশুদের পড়াশোনা

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম-এর সহায়তায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শিশুদের উপানুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে প্রাক-প্রাথমিক পড়াশোনা চলছে। প্রায় দেড়শোটি স্কুলে শিশুদের পড়ানো হচ্ছে বর্মিজ ভাষায় লেখা বইপত্র। এই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেড়শো রোহিঙ্গা শিক্ষক বর্মিজ ভাষায় শিক্ষা দিচ্ছেন শিশুদের। আর বাংলা ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা দিচ্ছেন বাংলাদেশি শিক্ষকরা। উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যেহেতু বর্মিজ ভাষা মিয়ানমারের জাতীয় ভাষা, তাই বর্মিজ ভাষায় লেখা বইপত্রই রোহিঙ্গা শিশুদের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া রোহিঙ্গাদের মাতৃভাষা রোয়াঈঙ্গা ভাষায় শিশুদের পড়াশোনার জন্য কোন কারিক্যুলাম নেই। তাই রোহিঙ্গা শিশুদের মাতৃভাষায় পড়াশোনা করার সুযোগ নেই। শুধু পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে রোহিঙ্গা শিশুরা রোয়াঈঙ্গা কথ্য ভাষায় কথা বলছে। তবে ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট দিল মোহাম্মদ বলেন, রোয়াঈঙ্গা ভাষার বর্ণমালা উন্নয়নে একটি দল কাজ করছে। তারা আশাবাদি একদিন নাগরিকত্বের সম্মান নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যাবেন রোহিঙ্গারা। আবার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে রোহিঙ্গাদের মাতৃভাষা রোয়াঈঙ্গা।

লেখক: খন্দকার দেলোয়ার জালালী, সাংবাদিক। রোহিঙ্গাদের নিয়ে লেখা “রক্তাক্ত রাখাইন” বইয়ের লেখক। সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি।

আরও পড়ুন
--
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×