বিশ্বাসের ভবিষ্যৎ কতদূর?
jugantor
বিশ্বাসের ভবিষ্যৎ কতদূর?

  রাজীব কুমার দাশ  

২০ নভেম্বর ২০২০, ১৯:০৭:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সবাই বর্তমানের কোলে চেপে ভবিষ্যৎ বিভোর। এক ভীষণ উদ্বিগ্ন চিন্তার রাহুগ্রাস গিলে খাচ্ছে সুন্দর বর্তমান! সবারই চিন্তা ভালো থাকা। মন্দ চিন্তা-ভাবনা সবার জন্য হলেও সমস্যা নেই; নিজের বেলায় ষোলোআনা নিরাপদ ভাবনা চাই।

ভাবনা জগতের সম্রাট, মহাজন কতজন আছেন জানি না! তবে কৃতঘ্ন অনিষ্টকারী ফকির বাবাদের সংখ্যা ঢের বেশি। বর্তমানের টুঁটি চেপে ভবিষ্যৎ বিশ্বাস পরীক্ষার সবাই নিয়মিত ছাত্র। অনিয়মিত কেউ নেই। বিশ্বাসের অবিমৃষ্য খেলায় সবার হাতেখড়ি। মানবীয় বর্তমান ছেড়ে ভবিষ্যৎ অন্ধবিশ্বাসের এক তেলেসমাতি মশাল হাতে নিয়ে যে যার মতো ভবিষ্যৎ সিঁড়ির ধাপে ধাপে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে। বর্তমান যেখানে কারও রক্ষা নেই; ভবিষ্যৎ তো যোজন দূরে!

সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হলেও আসলে এ পর্যন্ত ঔপনিবেশিকতাবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ একে অপরের পরিপূরক। `ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি মানবসভ্যতার একটি চরম অভিশপ্ত হাইপারসনিক ভাবনা। তবে এ নীতি সবার অজান্তে পৃথিবীজুড়ে সরব নীরবে আমাদের মতো মূর্খদের হাতে ক্রোধ, ঘৃণা, অহংকার, স্বার্থান্ধ অজাচার সভ্যতা মতবাদ বন্দুক দিয়ে শাসন করে চলেছে যুগ যুগ ধরে। অথচ আমার মতো মূর্খরা ঘূণাক্ষরে জানা তো দূরে থাক; কল্পনাতেও আসেনি।

স্বার্থান্ধ বুর্জোয়া সাম্রাজ্যবাদের কালো থাবা পৃথিবী ধ্বংসের শেষ দিন পর্যন্ত ক্ষতবিক্ষত করবে। মানব মন যারপরনাই দুর্নিবার ভোগী। হাজার দূরে থাক! লক্ষ নিযুত কোটিতেও একজন নিষ্কাম যোগী পাওয়া পৃথিবীর ভাগ্যের ব্যাপার। ভোগ সাম্রাজ্যকে পূর্ণতা দিতে তৈরি হয় যত নতুন-নতুন ফন্দিফিকির স্বার্থান্ধ পলিসি! এসব পলিসি ব্যবহার করে কখনও সখনও টেনে আনছে ... ধর্ম, ভণ্ডামি, চরম মিথ্যা, চরম স্বার্থ। প্রস্তরযুগের হাত ধরে আধুনিক যুগ। বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতা এখন নিত্যসঙ্গী।

মানব মনে বিজ্ঞানের হাইপারসনিক চিন্তা অদমনীয়! প্রতিমুহূর্ত রেনেসাঁ সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বার্তা নিয়ে টইটুম্বুর অগ্রযাত্রায় যেখানে সুখের নন্দনকাননে ময়ূর পুচ্ছ সৌন্দর্য দেখার কথা; সেখানে আমরা তথা বিশ্বময় দেখছি বুলেট বোমা! ধর্ম, অর্থনীতি, অথর্ব মিথ্যা স্বার্থান্ধ রাজনীতি, ব্যক্তি পরিবার সমাজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্বার্থান্ধ শোষক শাসক গোষ্ঠী/সম্প্রদায়ের চরম টার্গেট আমৃত্যু ভোগবিলাস! সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিপতি-পুঁজিবাদ। ওদের ভোগের উপাচারে ওরা হাতিয়ার করে ধর্ম, কূটনীতি, শকুনিচাল, নতুন-নতুন পরিস্থিতি, কৌশল! সবশেষে গদি টিকিয়ে রাখতে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’।

বুর্জোয়া সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের শেষ পরিণাম বেশ ভয়ঙ্কর! মধ্যযুগের পর ব্রিটিশদের শেষ সাম্রাজ্যবাদ পলিসি ‘ভাগ ও শাসন’ নীতিতে ক্ষতবিক্ষত এ উপমহাদেশ। কোনো সমৃদ্ধ সভ্যতা এ পর্যস্ত গড়ে ওঠেনি! যদি ভুল না বলি? এভাবে ধর্মের বিভাজন সংস্কৃতি চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ উপমহাদেশের জনগণ সমৃদ্ধ সভ্যতা দূরে থাক! অন্য মহাদেশে পালিয়ে জীবন বাঁচাতে হবে। সাম্রাজ্যবাদ শত্রুরা বসে নেই; থেমে নেই এনাদের দাবার চাল। রাজা মন্ত্রী কখন হাসবে-কাঁদবে উনারা জানেন। দেশভাগের আগে সরাসরি শাসন করলেও এখন পরোক্ষ শাসন শোষণ করছে।

এখন কারও প্রতি কারও বিশ্বাস নেই। মানে কেউ কাউকে বিশ্বাস করছেন না। হালের গর্বিত ফ্যামিলিয়ার সামাজিক যোগাযোগ দিয়ে শুরু করছি...! দিন-মাস-বছর যায়, উঠতে বসতে খেতে নাইতে গাইতে টুং টাং আওয়াজ! ক্রর, ক্রর, চ্যাট হচ্ছে! পরিবারের সবার হাতেই মোবাইল। কেউ কারও দিকে তাকানোর সময়-সুযোগ নেই। সবার গোপন জটিল পাসওয়ার্ড!

মোবাইল ভেঙে যাবে কিন্তু চরম বিপদে-আপদে কেউ কারও মোবাইল ব্যবহার করার সুযোগ নেই। চ্যাটে প্রেমিক চরম আবেগে যখন বলেন ‘জানু জানো, আমি তোমায় না পেলে কিন্তু সত্যিই মরে যাব‘।

অপরপ্রান্তের চরম আবেগ থাকা সত্ত্বেও কিছু বলছেন না; জাস্ট হলুদ একটা স্টিকার পাঠান। কারণ ‘জানু’ ভালো করে জানেন- এটা কথার কথা! সারাদিন তার জান এ রকমের কম করে হলেও শ’খানেক জানুর জন্য মরে-বাঁচে, মিছেমিছি হাত কাটে, পা কাটে, বুকে লাভ উল্কি-ট্যাঁটু আঁকে। মানে টাইমপাস, হাফ টাইম, ফুল টাইম প্রেম। এক সময়ে গান শোনায়- ‘তোর জন্য গাঁজা ধরেছি, তোর জন্য মদ, তোর জন্য সুরেলা জীবন করেছি সর্বনাশ’।

সবাই চরম স্বার্থরক্ষা করে চলেন। আবেগের পাঁচ বাড়ির দরজা বন্ধ। সভ্যতা কৃষ্টি সংস্কৃতি এমন কী ধর্মের লাগাম পর্যন্ত বহু আগেই সাম্রাজ্যবাদ- বিস্তারবাদীদের হাতে সুকৌশলে ধরাশায়ী হয়েছে। সবাই ওদের তুরুপের তাস হয়ে ধর্ম কর্ম বর্মে জিরাফে আছি। সারা বিশ্ব এখন বিস্তারবাদীদের নতুন-নতুন ভীষণ চালে অস্থির।

বিশ্বময় সবাই এক চরম অস্থিরচিত্ত নিয়ে কম-বেশ চলছে বলছে। প্রতিদিনই চলার পথে এক ভীষণ পরস্পর অবিশ্বাস অবিমৃষ্য অস্থিরচিত্ত সবাইকে তাড়া করছে। এক স্বপ্নহীন নৈরাজ্য নৈরাশ্য আতঙ্কিত; সভ্যতার সংকট চরম ঘৃণা নিয়ে বেড়ে উঠছে একটি প্রজন্ম। এ প্রজন্ম বা আমরা কেউ-ই কী সাম্রাজ্যবাদ- বিস্তারবাদীদের দেখেছি বা চিনি?

না চিনি না! এরা সবাই ‘আমি তুমি সে’-তে সুযোগবাবা সেজে ঘাপটি মেরে বসে আছে। অনেক দেরি হয়ে গেছে! সাম্রাজ্যবাদী বিস্তারবাদীদের ছোবলে আজ উপমহাদেশ দিশেহারা। সমৃদ্ধ সভ্যতা কারও নেই। চরম হতাশায় জর্জরিত। সবাই কসাইখানার পশুর মতো জাবর কাটছে। একদিন ‘বিশ্বাসের ভবিষ্যৎ’ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘূর্ণিঝড় তাণ্ডবে চিরদিনের জন্য হারিয়ে যাবে না তো?

লেখক: রাজীব কুমার দাশ, প্রাবন্ধিক ও কবি,
পুলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ।
ই মেইল[email protected]

বিশ্বাসের ভবিষ্যৎ কতদূর?

 রাজীব কুমার দাশ 
২০ নভেম্বর ২০২০, ০৭:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সবাই বর্তমানের কোলে চেপে ভবিষ্যৎ বিভোর। এক ভীষণ উদ্বিগ্ন চিন্তার রাহুগ্রাস গিলে খাচ্ছে সুন্দর বর্তমান! সবারই চিন্তা ভালো থাকা। মন্দ চিন্তা-ভাবনা সবার জন্য হলেও সমস্যা নেই; নিজের বেলায় ষোলোআনা নিরাপদ ভাবনা চাই।

ভাবনা জগতের সম্রাট, মহাজন কতজন আছেন জানি না! তবে কৃতঘ্ন অনিষ্টকারী ফকির বাবাদের সংখ্যা ঢের বেশি। বর্তমানের টুঁটি চেপে ভবিষ্যৎ বিশ্বাস পরীক্ষার সবাই নিয়মিত ছাত্র। অনিয়মিত কেউ নেই। বিশ্বাসের অবিমৃষ্য খেলায় সবার হাতেখড়ি। মানবীয় বর্তমান ছেড়ে ভবিষ্যৎ অন্ধবিশ্বাসের এক তেলেসমাতি মশাল হাতে নিয়ে যে যার মতো ভবিষ্যৎ সিঁড়ির ধাপে ধাপে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে। বর্তমান যেখানে কারও রক্ষা নেই; ভবিষ্যৎ তো যোজন দূরে!

সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হলেও আসলে এ পর্যন্ত ঔপনিবেশিকতাবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ একে অপরের পরিপূরক। `ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি মানবসভ্যতার একটি চরম অভিশপ্ত হাইপারসনিক ভাবনা। তবে এ নীতি সবার অজান্তে পৃথিবীজুড়ে সরব নীরবে আমাদের মতো মূর্খদের হাতে ক্রোধ, ঘৃণা, অহংকার, স্বার্থান্ধ অজাচার সভ্যতা মতবাদ বন্দুক দিয়ে শাসন করে চলেছে যুগ যুগ ধরে। অথচ আমার মতো মূর্খরা ঘূণাক্ষরে জানা তো দূরে থাক; কল্পনাতেও আসেনি।

স্বার্থান্ধ বুর্জোয়া সাম্রাজ্যবাদের কালো থাবা পৃথিবী ধ্বংসের শেষ দিন পর্যন্ত ক্ষতবিক্ষত করবে। মানব মন যারপরনাই দুর্নিবার ভোগী। হাজার দূরে থাক! লক্ষ নিযুত কোটিতেও একজন নিষ্কাম যোগী পাওয়া পৃথিবীর ভাগ্যের ব্যাপার। ভোগ সাম্রাজ্যকে পূর্ণতা দিতে তৈরি হয় যত নতুন-নতুন ফন্দিফিকির স্বার্থান্ধ পলিসি! এসব পলিসি ব্যবহার করে কখনও সখনও টেনে আনছে ... ধর্ম, ভণ্ডামি, চরম মিথ্যা, চরম স্বার্থ। প্রস্তরযুগের হাত ধরে আধুনিক যুগ। বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতা এখন নিত্যসঙ্গী।

মানব মনে বিজ্ঞানের হাইপারসনিক চিন্তা অদমনীয়! প্রতিমুহূর্ত রেনেসাঁ সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বার্তা নিয়ে টইটুম্বুর অগ্রযাত্রায় যেখানে সুখের নন্দনকাননে ময়ূর পুচ্ছ সৌন্দর্য দেখার কথা; সেখানে আমরা তথা বিশ্বময় দেখছি বুলেট বোমা! ধর্ম, অর্থনীতি, অথর্ব মিথ্যা স্বার্থান্ধ রাজনীতি, ব্যক্তি পরিবার সমাজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্বার্থান্ধ শোষক শাসক গোষ্ঠী/সম্প্রদায়ের চরম টার্গেট আমৃত্যু ভোগবিলাস! সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিপতি-পুঁজিবাদ। ওদের ভোগের উপাচারে ওরা হাতিয়ার করে ধর্ম, কূটনীতি, শকুনিচাল, নতুন-নতুন পরিস্থিতি, কৌশল! সবশেষে গদি টিকিয়ে রাখতে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’। 

বুর্জোয়া সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের শেষ পরিণাম বেশ ভয়ঙ্কর! মধ্যযুগের পর ব্রিটিশদের শেষ সাম্রাজ্যবাদ পলিসি ‘ভাগ ও শাসন’ নীতিতে ক্ষতবিক্ষত এ উপমহাদেশ। কোনো সমৃদ্ধ সভ্যতা এ পর্যস্ত গড়ে ওঠেনি! যদি ভুল না বলি? এভাবে ধর্মের বিভাজন সংস্কৃতি চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ উপমহাদেশের জনগণ সমৃদ্ধ সভ্যতা দূরে থাক! অন্য মহাদেশে পালিয়ে জীবন বাঁচাতে হবে। সাম্রাজ্যবাদ শত্রুরা বসে নেই; থেমে নেই এনাদের দাবার চাল। রাজা মন্ত্রী কখন হাসবে-কাঁদবে উনারা জানেন। দেশভাগের আগে সরাসরি শাসন করলেও এখন পরোক্ষ শাসন শোষণ করছে।

এখন কারও প্রতি কারও বিশ্বাস নেই। মানে কেউ কাউকে বিশ্বাস করছেন না। হালের গর্বিত ফ্যামিলিয়ার সামাজিক যোগাযোগ দিয়ে শুরু করছি...! দিন-মাস-বছর যায়, উঠতে বসতে খেতে নাইতে গাইতে টুং টাং আওয়াজ! ক্রর, ক্রর, চ্যাট হচ্ছে! পরিবারের সবার হাতেই মোবাইল। কেউ কারও দিকে তাকানোর সময়-সুযোগ নেই। সবার গোপন জটিল পাসওয়ার্ড!

মোবাইল ভেঙে যাবে কিন্তু চরম বিপদে-আপদে কেউ কারও মোবাইল ব্যবহার করার সুযোগ নেই। চ্যাটে প্রেমিক চরম আবেগে যখন বলেন ‘জানু জানো, আমি তোমায় না পেলে কিন্তু সত্যিই মরে যাব‘।

অপরপ্রান্তের চরম আবেগ থাকা সত্ত্বেও কিছু বলছেন না; জাস্ট হলুদ একটা স্টিকার পাঠান। কারণ ‘জানু’ ভালো করে জানেন- এটা কথার কথা! সারাদিন তার জান এ রকমের কম করে হলেও শ’খানেক জানুর জন্য মরে-বাঁচে, মিছেমিছি হাত কাটে, পা কাটে, বুকে লাভ উল্কি-ট্যাঁটু আঁকে। মানে টাইমপাস, হাফ টাইম, ফুল টাইম প্রেম। এক সময়ে গান শোনায়- ‘তোর জন্য গাঁজা ধরেছি, তোর জন্য মদ, তোর জন্য সুরেলা জীবন করেছি সর্বনাশ’।

সবাই চরম স্বার্থরক্ষা করে চলেন। আবেগের পাঁচ বাড়ির দরজা বন্ধ। সভ্যতা কৃষ্টি সংস্কৃতি এমন কী ধর্মের লাগাম পর্যন্ত বহু আগেই সাম্রাজ্যবাদ- বিস্তারবাদীদের হাতে সুকৌশলে ধরাশায়ী হয়েছে। সবাই ওদের তুরুপের তাস হয়ে ধর্ম কর্ম বর্মে জিরাফে আছি। সারা বিশ্ব এখন বিস্তারবাদীদের নতুন-নতুন ভীষণ চালে অস্থির।

বিশ্বময় সবাই এক চরম অস্থিরচিত্ত নিয়ে কম-বেশ চলছে বলছে। প্রতিদিনই চলার পথে এক ভীষণ পরস্পর অবিশ্বাস অবিমৃষ্য অস্থিরচিত্ত সবাইকে তাড়া করছে। এক স্বপ্নহীন নৈরাজ্য নৈরাশ্য আতঙ্কিত; সভ্যতার সংকট চরম ঘৃণা নিয়ে বেড়ে উঠছে একটি প্রজন্ম। এ প্রজন্ম বা আমরা কেউ-ই কী সাম্রাজ্যবাদ- বিস্তারবাদীদের দেখেছি বা চিনি?

না চিনি না! এরা সবাই ‘আমি তুমি সে’-তে সুযোগবাবা সেজে ঘাপটি মেরে বসে আছে। অনেক দেরি হয়ে গেছে! সাম্রাজ্যবাদী বিস্তারবাদীদের ছোবলে আজ উপমহাদেশ দিশেহারা। সমৃদ্ধ সভ্যতা কারও নেই। চরম হতাশায় জর্জরিত। সবাই কসাইখানার পশুর মতো জাবর কাটছে। একদিন ‘বিশ্বাসের ভবিষ্যৎ’ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘূর্ণিঝড় তাণ্ডবে চিরদিনের জন্য হারিয়ে যাবে না তো?

লেখক: রাজীব কুমার দাশ, প্রাবন্ধিক ও কবি,
পুলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ।
ই মেইল[email protected]