কঠোর লকডাউন: চলাচলের বিধি-নিষেধে ‘কমছে সংক্রমণ’
jugantor
কঠোর লকডাউন: চলাচলের বিধি-নিষেধে ‘কমছে সংক্রমণ’

  মো. শাহ জালাল মিশুক  

২২ এপ্রিল ২০২১, ২২:০৬:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন কথাটা বহুল প্রচলিত একটি শব্দ। বিশেষ করে বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন এ শব্দটা বেশি প্রচার পেয়েছে। লকডাউনের শাব্দিক অর্থ তালাবদ্ধ করে দেয়া। শব্দটির ব্যাখ্যায় ক্যামব্রিজ ডিকশনারিতে বলা হয়েছে- কোনো জরুরি পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে কোনো জায়গা থেকে বের হতে না দেয়া কিংবা ওই জায়গায় প্রবেশ করতে বাধা দেয়াই হলো ‘লকডাউন।’ এছাড়া অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারিতে বলা হয়েছে- জরুরি সুরক্ষার প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণ করাই ‘লকডাউন।’ তবে ‘লকডাউন’ শব্দটির সরল বাংলা ‘অবরুদ্ধ’ কিংবা ‘প্রিজনে রাখা’।

বাস্তবিকভাবে করোনাকালীন লকডাউন কোনো স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নয়। এটা প্রশাসনিক বা আইনগত বা সরকারি ব্যবস্থা। এর মানে হলো, বিমান বন্ধ, সীমানা বন্ধ ও চলাচল বন্ধ। এটা পুরোপুরি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, নাগরিকের স্বতঃপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত নয় অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ যা বলবে, জনগণের তা শুনতে হবে। তবে বাংলাদেশে মহামারি পরিস্থিতিকে অবহেলা কিংবা জীবন-জীবিকার তাগিদে লকডাউনের বেশ কয়েকটা প্রকার দেখতে পেয়েছি। যেমন- কঠোর লকডাউন, ঢিলেঢালা লকডাউন, সর্বাত্মক লকডাউন কিংবা জোনভিত্তিক লকডাউন। তবে গত ১৪ এপ্রিল থেকে করোনা পরিস্থিতি বেশ খারাপ ও ভয়াবহ রূপ নিলে, সরকার কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়; যা দ্বিতীয় দফায় বেড়ে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আপাতত বলবত আছে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে প্রতিদিন অনেক মানুষ মারা যাচ্ছেন; যা সবার জন্যই বেশ দুঃখজনক। তবে এতসব খারাপ ও দুঃসংবাদের মাঝেও কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে সরকার কর্তৃক কঠোর লকডাউনে জনসাধারণের চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ।

কারণ গত কয়েক দিনে দেশে দৈনিক করোনা শনাক্তের হার ও নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমছে; যা দেশের ভীত-সন্ত্রস্ত সাধারণ মানুষগুলোর মধ্যে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার আশার আলো জাগাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসাধারণের চলাচলের ওপর চলমান বিধি-নিষেধের কারণেই সংক্রমণের গতি কমতে শুরু করেছে।

কঠোর লকডাউন: চলাচলের বিধি-নিষেধে ‘কমছে সংক্রমণ’

 মো. শাহ জালাল মিশুক 
২২ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন কথাটা বহুল প্রচলিত একটি শব্দ। বিশেষ করে বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন এ শব্দটা বেশি প্রচার পেয়েছে। লকডাউনের শাব্দিক অর্থ তালাবদ্ধ করে দেয়া। শব্দটির ব্যাখ্যায় ক্যামব্রিজ ডিকশনারিতে বলা হয়েছে- কোনো জরুরি পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে কোনো জায়গা থেকে বের হতে না দেয়া কিংবা ওই জায়গায় প্রবেশ করতে বাধা দেয়াই হলো ‘লকডাউন।’ এছাড়া অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারিতে বলা হয়েছে- জরুরি সুরক্ষার প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণ করাই ‘লকডাউন।’ তবে ‘লকডাউন’ শব্দটির সরল বাংলা ‘অবরুদ্ধ’ কিংবা ‘প্রিজনে রাখা’।

বাস্তবিকভাবে করোনাকালীন লকডাউন কোনো স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নয়। এটা প্রশাসনিক বা আইনগত বা সরকারি ব্যবস্থা। এর মানে হলো, বিমান বন্ধ, সীমানা বন্ধ ও চলাচল বন্ধ। এটা পুরোপুরি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, নাগরিকের স্বতঃপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত নয় অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ যা বলবে, জনগণের তা শুনতে হবে। তবে বাংলাদেশে মহামারি পরিস্থিতিকে অবহেলা কিংবা জীবন-জীবিকার তাগিদে লকডাউনের বেশ কয়েকটা প্রকার দেখতে পেয়েছি। যেমন- কঠোর লকডাউন, ঢিলেঢালা লকডাউন, সর্বাত্মক লকডাউন কিংবা জোনভিত্তিক লকডাউন। তবে গত ১৪ এপ্রিল থেকে করোনা পরিস্থিতি বেশ খারাপ ও ভয়াবহ রূপ নিলে, সরকার কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়; যা দ্বিতীয় দফায় বেড়ে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আপাতত বলবত আছে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে প্রতিদিন অনেক মানুষ মারা যাচ্ছেন; যা সবার জন্যই বেশ দুঃখজনক। তবে এতসব খারাপ ও দুঃসংবাদের মাঝেও কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে সরকার কর্তৃক কঠোর লকডাউনে জনসাধারণের চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ।

কারণ গত কয়েক দিনে দেশে দৈনিক করোনা শনাক্তের হার ও নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমছে; যা দেশের ভীত-সন্ত্রস্ত সাধারণ মানুষগুলোর মধ্যে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার আশার আলো জাগাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসাধারণের চলাচলের ওপর চলমান বিধি-নিষেধের কারণেই সংক্রমণের গতি কমতে শুরু করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন