উপহার আভিজাত্য সম্প্রীতি ও সৌহার্দের প্রতীক
jugantor
উপহার আভিজাত্য সম্প্রীতি ও সৌহার্দের প্রতীক

  শেখ মনোয়ার হোসেন  

২৯ জুলাই ২০২১, ০২:৩৮:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সারা পৃথিবীতেই উপহারের সৌজন্যমূলক কদর রয়েছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এ উপহার সৌজন্য পারস্পরিক সম্প্রীতি সমৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতির নতুন দিগন্তও উন্মোচন করে। এরকম অজস্র উদাহরণ রয়েছে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র ব্যবস্থার চৌকষ সৌন্দর্য জনসাধারণকে শুধু আপ্লুতই করে না, আত্মবিশ্বাসীও করে।

সম্প্রতি আমরা দেখেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদিসহ বিশ্বের বহু সরকারপ্রধান কিংবা রাষ্ট্রপ্রধানদের উপহার সামগ্রী হিসেবে বাংলাদেশের আমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ভ্যারাইটি 'হাঁড়ি ভাঙা' আম পাঠিয়েছেন। এই সৌজন্য আমাদের মতো সাধারণ মানুষসহ উত্তরবঙ্গের আম চাষীদের বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে করোনাকালীন লকডাউনের মধ্যে Mango Train চালু করে আম চাষীদের কাঙ্ক্ষিত মুনাফা সমুন্নত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

প্রসঙ্গত বলতে হয় যে, পেন্ডামিকের জন্য ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর সহজলভ্যতা এবং ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, বাঙালির আত্মবিশ্বাস ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা এতই টেকসই আর মজবুত যে, শুধুমাত্র একটি উপযুক্ত পরিবেশের নিশ্চয়তা থাকলেই বাঙালি হাতে হাতে তার প্রমাণ দিতে পারে। যে কারণে বিগত প্রায় দুই বছরে ছোট-বড় হাজার হাজার খামারে গরু ছাগল ভেড়া মহিষ ইত্যাদি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে বিরাট বিপ্লব ঘটে গেছে। যেখানে কোরবানির পশুর জন্য এতকাল আমাদের পরমুখাপেক্ষী হয়ে মন বেজার করে বসে থাকতে হয়েছে, সেখানে দেশীয় সক্ষমতায় শতভাগ কোরবানির পশুর জোগান দিয়েও লক্ষ লক্ষ পশু Surplus থেকে গেছে।

কোরবানিকে সামনে রেখে পশু পালনকারী খামারিগণের মধ্যে অনেকেই এ বছর কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়ায় বিক্রয় থেকে বিরত থেকেছেন। আমাদের সামগ্রিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনার মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবেই একটি মনোজাগতিক বিষয় কাজ করে, আর তা হচ্ছে এই যে, উৎপাদন আধিক্য হেতু বাজার মূল্য পড়ে গেলে উৎপাদনকারীরা সেই বিষয়ে পরবর্তী বছর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কর্পোরেট ব্যবসায়ীরা এ সুযোগের অপেক্ষায় ওতপেতে থাকে। তাদের হিসাব কড়ায়গণ্ডায় পাকা। পেশাদার না হয়েও ইতোমধ্যেই এই কর্পোরেট হানাদাররা আর্থিকভাবে অসচ্ছল খামারিদের অবিক্রীত গরু-ছাগল স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে অদূর ভবিষ্যতে মোটা অঙ্কের লাভের আশায় সাময়িক সময়ের জন্য বিশাল বিশাল খামার গড়ে তুলেছে।

এভাবেই ক্ষুদ্র খামারিরা একপর্যায়ে কর্পোরেট খামারিদের গোলামে পরিণত হয়। মূলত এই দারিদ্র্যের সুযোগেই সমাজে শোষক এবং শোষিতের সংখ্যা বিস্তার লাভ করে। আর এভাবেই উৎপাদন ব্যবস্থা তৃণমূলের আবাদী কৃষকদের হাতছাড়া হয়ে যায়। ফলে উচ্চমূল্যে আমদানি নির্ভরতার বেহাল সংস্কৃতি নিজস্ব রূপধারণ করে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকে। অথচ তৃণমূলের বিপর্যস্ত উৎপাদনকারীদের এ সময়ে টিকে থাকার মতো কিছুটা প্রণোদনা কিংবা সহনীয় পর্যায়ের সরল সুদের লোন দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে দারিদ্র্য নিরসনের সাথে সাথে আমাদের জাতীয় অর্থনৈতিক অবকাঠামো আরও মজবুত হতো।

শুরু করেছিলাম উপহার প্রসঙ্গ দিয়ে। আমাদের মহান স্বাধীনতার ঊষালগ্নে যখন পাক হানাদার বাহিনী এদেশের প্রতিটি জনপদকে ধ্বংসস্তূপে পরণত করে দিয়ে গিয়েছিল, তখন আমাদের মহান নেতা হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন- আমার দেশের সোনার মানুষ আছে, সোনার মাটি আছে, আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। তার ডাকে সমগ্র জাতি একতাবদ্ধ হয়ে যখন দেশকে গড়ে তোলার সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেছে, যখন সবেমাত্র আমরা অর্থনৈতিক মুক্তির সুফল অর্জন করতে শুরু করেছি, ঠিক তখনই স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা এবং তাদের দোসররা রাতের অন্ধকারে এদেশের গরিব-দুখী মেহনতি মানুষের অতি আদরের বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের অন্ধকারে নির্মমভাবে হত্যা করে অগ্রগতির সমস্ত দুয়ার বন্ধ করে দেয়।

এ দু:শাসনের অবসান ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের দুই যুগের বেশি সময় ব্যয় করতে হয়েছে। জাতি আজ বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গবন্ধুর মতো তিনিও মানুষের অন্তরের ভাষা অনুধাবন করতে পারেন। আমরা আশা করি গবাদিপশুসহ প্রাণিসম্পদ উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উদ্যোক্তাদের প্রতি সরকার নিশ্চয়ই সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেবেন।

মুসলিম বিশ্বে হালাল মাছ এবং মাংসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাছ রপ্তানিতে আমাদের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও মাংস রপ্তানির প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। আমাদের উদ্বৃত্ত গবাদিপশু কোরবানির সময় মুসলিম বিশ্বের দেশসমূহে রপ্তানির প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এদেশের সোনার মানুষেরা প্রমাণ করে দেবে-
বাংলাদেশ মানে অসম্ভব বলে কিছু মানি না
বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি মুসলিম বিশ্বের দেশসমূহের সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে উপহারস্বরূপ গবাদিপশুসহ হালাল প্রাণী প্রেরণ করেন, তাহলে এক্ষেত্রে উভয় দেশের মানুষের মধ্যেই আগ্রহ সৃষ্টি হতে পারে এবং পশু সম্পদ রপ্তানির আরও একটি নতুন দুয়ার উন্মোচিত হতে পারে- এটা আমার বিশ্বাস।

শেখ মনোয়ার হোসেন
উদ্যোক্তা পরিচালক, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন ও
সিনেট সদস্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

উপহার আভিজাত্য সম্প্রীতি ও সৌহার্দের প্রতীক

 শেখ মনোয়ার হোসেন 
২৯ জুলাই ২০২১, ০২:৩৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সারা পৃথিবীতেই উপহারের সৌজন্যমূলক কদর রয়েছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এ উপহার সৌজন্য পারস্পরিক সম্প্রীতি সমৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতির নতুন দিগন্তও উন্মোচন করে। এরকম অজস্র উদাহরণ রয়েছে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র ব্যবস্থার চৌকষ সৌন্দর্য জনসাধারণকে শুধু আপ্লুতই করে না, আত্মবিশ্বাসীও করে। 

সম্প্রতি আমরা দেখেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী মি. নরেন্দ্র মোদিসহ বিশ্বের বহু সরকারপ্রধান কিংবা রাষ্ট্রপ্রধানদের উপহার সামগ্রী হিসেবে বাংলাদেশের আমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ভ্যারাইটি 'হাঁড়ি ভাঙা' আম পাঠিয়েছেন। এই সৌজন্য আমাদের মতো সাধারণ মানুষসহ উত্তরবঙ্গের আম চাষীদের বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে করোনাকালীন লকডাউনের মধ্যে Mango Train চালু করে আম চাষীদের কাঙ্ক্ষিত মুনাফা সমুন্নত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

প্রসঙ্গত বলতে হয় যে, পেন্ডামিকের জন্য ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর সহজলভ্যতা এবং ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, বাঙালির আত্মবিশ্বাস ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা এতই টেকসই আর মজবুত যে, শুধুমাত্র একটি উপযুক্ত পরিবেশের নিশ্চয়তা থাকলেই বাঙালি হাতে হাতে তার প্রমাণ দিতে পারে। যে কারণে বিগত প্রায় দুই বছরে ছোট-বড় হাজার হাজার খামারে গরু ছাগল ভেড়া মহিষ ইত্যাদি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে বিরাট বিপ্লব ঘটে গেছে। যেখানে কোরবানির পশুর জন্য এতকাল আমাদের পরমুখাপেক্ষী হয়ে মন বেজার করে বসে থাকতে হয়েছে, সেখানে দেশীয় সক্ষমতায় শতভাগ কোরবানির পশুর জোগান দিয়েও লক্ষ লক্ষ পশু Surplus থেকে গেছে।

কোরবানিকে সামনে রেখে পশু পালনকারী খামারিগণের মধ্যে অনেকেই এ বছর কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়ায় বিক্রয় থেকে বিরত থেকেছেন। আমাদের সামগ্রিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনার মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবেই একটি মনোজাগতিক বিষয় কাজ করে, আর তা হচ্ছে এই যে, উৎপাদন আধিক্য হেতু বাজার মূল্য পড়ে গেলে উৎপাদনকারীরা সেই বিষয়ে পরবর্তী বছর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কর্পোরেট ব্যবসায়ীরা এ সুযোগের অপেক্ষায় ওতপেতে থাকে। তাদের হিসাব কড়ায়গণ্ডায় পাকা। পেশাদার না হয়েও ইতোমধ্যেই এই কর্পোরেট হানাদাররা আর্থিকভাবে অসচ্ছল খামারিদের অবিক্রীত গরু-ছাগল স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে অদূর ভবিষ্যতে মোটা অঙ্কের লাভের আশায় সাময়িক সময়ের জন্য বিশাল বিশাল খামার গড়ে তুলেছে।

এভাবেই ক্ষুদ্র খামারিরা একপর্যায়ে কর্পোরেট খামারিদের গোলামে পরিণত হয়। মূলত এই দারিদ্র্যের সুযোগেই সমাজে শোষক এবং শোষিতের সংখ্যা বিস্তার লাভ করে। আর এভাবেই উৎপাদন ব্যবস্থা তৃণমূলের আবাদী কৃষকদের হাতছাড়া হয়ে যায়। ফলে উচ্চমূল্যে আমদানি নির্ভরতার বেহাল সংস্কৃতি নিজস্ব রূপধারণ করে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকে। অথচ তৃণমূলের বিপর্যস্ত উৎপাদনকারীদের এ সময়ে টিকে থাকার মতো কিছুটা প্রণোদনা কিংবা সহনীয় পর্যায়ের সরল সুদের লোন দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে দারিদ্র্য নিরসনের সাথে সাথে আমাদের জাতীয় অর্থনৈতিক অবকাঠামো আরও মজবুত হতো।

শুরু করেছিলাম উপহার প্রসঙ্গ দিয়ে। আমাদের মহান স্বাধীনতার ঊষালগ্নে যখন পাক হানাদার বাহিনী এদেশের প্রতিটি জনপদকে ধ্বংসস্তূপে পরণত করে দিয়ে গিয়েছিল, তখন আমাদের মহান নেতা হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন- আমার দেশের সোনার মানুষ আছে, সোনার মাটি আছে, আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। তার ডাকে সমগ্র জাতি একতাবদ্ধ হয়ে যখন দেশকে গড়ে তোলার সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেছে, যখন সবেমাত্র আমরা অর্থনৈতিক মুক্তির সুফল অর্জন করতে শুরু করেছি, ঠিক তখনই স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা এবং তাদের দোসররা রাতের অন্ধকারে এদেশের গরিব-দুখী মেহনতি মানুষের অতি আদরের বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের অন্ধকারে নির্মমভাবে হত্যা করে অগ্রগতির সমস্ত দুয়ার বন্ধ করে দেয়।

এ দু:শাসনের অবসান ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের দুই যুগের বেশি সময় ব্যয় করতে হয়েছে। জাতি আজ  বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গবন্ধুর মতো তিনিও মানুষের অন্তরের ভাষা অনুধাবন করতে পারেন। আমরা আশা করি গবাদিপশুসহ প্রাণিসম্পদ উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উদ্যোক্তাদের প্রতি সরকার নিশ্চয়ই সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেবেন।

মুসলিম বিশ্বে হালাল মাছ এবং মাংসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাছ রপ্তানিতে আমাদের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও মাংস রপ্তানির প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। আমাদের উদ্বৃত্ত গবাদিপশু কোরবানির সময় মুসলিম বিশ্বের দেশসমূহে রপ্তানির প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এদেশের সোনার মানুষেরা প্রমাণ করে দেবে-
বাংলাদেশ মানে অসম্ভব বলে কিছু মানি না 
বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি মুসলিম বিশ্বের দেশসমূহের সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে উপহারস্বরূপ গবাদিপশুসহ হালাল প্রাণী প্রেরণ করেন, তাহলে এক্ষেত্রে উভয় দেশের মানুষের মধ্যেই আগ্রহ সৃষ্টি হতে পারে এবং পশু সম্পদ রপ্তানির আরও একটি নতুন দুয়ার উন্মোচিত হতে পারে- এটা আমার বিশ্বাস।

শেখ মনোয়ার হোসেন
উদ্যোক্তা পরিচালক, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন ও 
সিনেট সদস্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন