কালিয়ায় হাতকড়া নিয়ে পালাল আসামি, কনস্টেবল আহত
Advertisement
নড়াইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৭:২৭ পিএম
আহত পুলিশ কনস্টেবল শাহীনুল ইসলাম। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নড়াইলের কালিয়ায় হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি আটক করতে গিয়ে নারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। এ সময় হাতকড়া নিয়ে ধৃত আসামি পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হাতকড়া নিয়ে পালানো আসামি লিকু শেখ আমতলা গ্রামের মৃত মতিয়ার শেখের ছেলে। আহত পুলিশ কনস্টেবল শাহীনুল ইসলামকে (২২) কালিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার সকালে উপজেলার আমতলা গ্রামের ওই ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও হাতকড়া নিয়ে পালানোর ঘটনা অস্বীকার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আমতলা গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের জান্নাত গ্রুপ ও হান্নান গ্রুপের মধ্যে গত ২৮ আগস্ট সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করে দুপক্ষ।
জান্নাত গ্রুপের মামলার জান্নাত শেখ ও মামলার বাদী আমতলা গ্রামের কিছলু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ওই দিন সকাল ৯টার দিকে তার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালিয়া থানার এসআই সবুর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই মামলার পলাতক আসামি লিকুকে আটক করলে লিকুর সমর্থকরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে।
লিকুর মা জামিরন নেছা বলেন, ওইদিন সকালে আমার ছেলে বাড়ির পাশে নিজস্ব ধান ছাঁটাই মেশিনে ধান ছাঁটাই করার সময় পুলিশ তাকে আটক করে হাতকড়া পরিয়ে দেয়। সে কোনো মামলার আসামি না বলে দাবি করে পুলিশের সঙ্গে তর্কবিতর্ক শুরু করলে বাড়ির নারীরা এগিয়ে এসে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হলে একপর্যায়ে হাতকড়াসহ আমার ছেলে পালিয়ে য়ায়। তবে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ মিথ্যা।
কালিয়া থানার ওসি শেখ শমশের আলী হাতকড়া নিয়ে ধৃত আসামি পালিয়ে যাওয়ার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন,‘গত ২৯ আগস্ট দায়েরকৃত কালিয়া থানার নিয়মিত মামলার পলাতক আসামি লিকু শেখকে রোববার সকালে তার বাড়ি থেকে পুলিশ আটক করলে বাড়ির নারীরা পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির শুরু করেন।
ওই ফাঁকে পুলিশের হাতফসকে আসামি লিকু পালিয়ে যায়। তারই একপর্যায়ে পড়ে গিয়ে কনস্টেবল শাহীন আহত হন। পলাতক আসামি লিকুকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
