Logo
Logo
×
   

Advertisement

অর্থনীতি

৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করলেন গভর্নর

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম

৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করলেন গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বক্তব্য রাখছেন। সংগৃহীত ছবি

Advertisement

বন্ধ কারখানা সচল, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ও চলতি মূলধন ঋণ সুবিধা দিতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিজস্ব তহবিল থেকে বিতরণ করবে ৪১ হাজার কোটি টাকা। ১৯ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুনঃঅর্থায়ন করবে। উভয় ক্ষেত্রে সরকার ৬ শতাংশ সুদ ভর্তুকি দেবে।

শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এই প্যাকেজ ঘোষণা করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করা আমাদের লক্ষ্য।

গভর্নর বলেন, ব্যাংক খাত নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ব্যাংক খাত থেকে ৫ লাখ কোটি চুরি হয়ে গেছে। ভদ্রভাবে এটাকে খেলাপি বলা হয়। আসলে এটা খেলাপি না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ঋণের বিপরীতে জামানত, প্রোপার ডকুমেন্ট নেই। চুরির এসব টাকা পাচার হয়ে গেছে। এসব অর্থ ফেরত আনা অনেক সময় সাপেক্ষ। যদিও অর্থ ফেরত আনতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

গভর্নর আরও বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানো, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, রপ্তানি বাড়ানো আমাদের লক্ষ্য। ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরানো আমাদের লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বন্ধ কলকারখানা চালুর পাশাপাশি কৃষি খাত, পোশাক, সিএমএসএমই ও পরিবেশবান্ধব, সৃজনশীল অর্থনীতি (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) খাতে ঋণ ও অর্থায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

কোন খাতে কত তহবিল

৪১ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মধ্যে- বন্ধ শিল্প কারখানা ও সেবা খাতে দেওয়া হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। 

সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকা, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ১০ হাজার কোটি টাকা, রপ্তানি বহুমুখীকরণে ৩ হাজার কোটি টাকা, উত্তরবঙ্গকে কৃষি হাব হিসেবে গড়ে তুলতে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব ১৯ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদে দেওয়া হবে। ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ দেবে। পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মধ্যে- রপ্তানি খাতের জন্য প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিটে ৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হবে। 

কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ২ হাজার কোটি টাকা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে এক হাজার কোটি টাকা, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এক হাজার কোটি টাকা, হিমায়িত মাছ ও মাছ রপ্তানি খাতে দুই হাজার কোটি টাকা, পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন বিনিয়োগে 

এক হাজার কোটি টাকা, বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য এক হাজার কোটি টাকা, স্টার্টআপ খাতে ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে ৫০০ কোটি টাকা। সৃজনশীল অর্থনীতির এই ৫০০ কোটি টাকা সিএসআরের আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক খরচ করবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম