স্বল্পখরচে মাছের লাইভ ফুড উৎপাদন
Advertisement
বাকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশীয় স্বাদুপানির অণুশৈবাল (মাইক্রোঅ্যালজি/Microalgae) ব্যবহার করে স্বল্পখরচে, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই লাইভ ফিড (জীবন্ত খাদ্য) ও অ্যাকোয়াফিড প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সফল হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাছ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেহা খানের নেতৃত্ব গবেষণাটি পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি (বিএএস) ও যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) অর্থয়ানে তিন বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী সেমিনারে এসব তথ্য তুলে ধরেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. সালেহা খান।
ড. সালেহা খান বলেন, দেশের মিঠাপানির মৎস্যচাষের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো মাছের লার্ভা ও পোনার জন্য মানসম্মত লাইভ ফিড এবং সাশ্রয়ী অ্যাকুয়াফিড। এ সমস্যা সমাধানে দেশীয় অণুশৈবাল ব্যবহার করে টেকসই ও স্বল্পখরচে লাইভ ফিড এবং অ্যাকোয়াফিড উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষণার মূল লক্ষ্য প্রচলিত ব্যয়বহুল প্রোটিন উৎস, বিশেষ করে ফিশমিলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প টেকসই অ্যাকোয়াফিড প্রযুক্তি উদ্ভাবন। প্রথমে দেশীয় Scenedesmus sp শৈবাল পৃথক করে সহজলভ্য জৈব উপাদান ব্যবহার করে অণুশৈবাল উৎপাদন করা হয় এরপর এগুলো ব্যবহার করে মাছের লার্ভার জন্য লাইভ ফিড জুপ্ল্যাঙ্কটন উৎপাদন করা হয়। এই লাইভ ফিড মাছের রেণু ও পোনার গুণগত মান ও বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
তিনি বলেন, এই গবেষণার শুধু অণুশৈবাল উৎপাদনেই নিহিত নয়, বরং একটি একক গবেষণা কাঠামোর মধ্যে দেশীয় অণুশৈবাল পৃথকীকরণ, স্বল্প খরচে ব্যাপক চাষ, জীবন্ত খাদ্য উৎপাদন, লার্ভা প্রতিপালন এবং টেকসই ফিশমিল প্রতিস্থাপনকে সংযুক্ত করে একটি সম্পূর্ণ সমন্বিত মিঠাপানির মৎস্যচাষ উৎপাদন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
