বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য টেকসই পেশাগত উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে ইউজিসি
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নিজস্ব সক্ষমতার ভিত্তিতে একটি টেকসই পেশাগত উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এ লক্ষ্যে প্রথম ধাপে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ‘মাস্টার ট্রেইনার’ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
বুধবার (২ জুলাই) কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত সিনিয়র ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি)’–এর প্রথম ব্যাচের সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে দক্ষ ও দূরদর্শী একাডেমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ কর্মসূচি শুধু একটি প্রশিক্ষণের সমাপ্তি নয়, বরং দেশের উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক নেতৃত্ব বিকাশের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত উন্নয়ন, মানসম্মত পাঠদান, গবেষণা নেতৃত্ব, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবেন। পরবর্তী ধাপে আরও জাতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক তৈরি করা হবে। তাদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষক আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি, মান নিশ্চিতকরণ, গবেষণা নেতৃত্ব, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন।
তিনি আরও বলেন, বিদেশি সহায়তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশেই দক্ষ প্রশিক্ষক তৈরি করে স্বনির্ভর শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই ইউজিসির লক্ষ্য। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের সক্ষমতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের একাডেমিক নেতৃত্ব তৈরি করতে পারবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, অ্যাডভান্স এইচইর পরামর্শক ড. বেন ব্রাবন, দেশীয় পরামর্শক, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন মাস্টার ট্রেইনার এবং হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কৌশলগত সুশাসন, মান নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিকীকরণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষাদান ও মূল্যায়ন, গবেষণা নেতৃত্ব এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ উচ্চশিক্ষার ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
