Logo
Logo
×
   

Advertisement

শিক্ষাঙ্গন

নীতিমালা প্রকাশ

একাদশে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি কত?

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম

একাদশে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি কত?

Advertisement

একাদশ শ্রেণিতে এবার সর্বোচ্চ ভর্তি ফি ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার প্রকাশিত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ নীতিমালায় আবেদন গ্রহণ, ফল প্রকাশ, ভর্তি নিশ্চায়ন ও ক্লাশ শুরুর সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। শিক্ষার্থীরা ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাশ শুরু হবে।

চূড়ান্ত নির্দেশনামূলক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানভেদে একাদশ শ্রেণিতে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো বাছাই পরীক্ষা বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। শুধু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের ফল পাওয়া শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সময়ে পছন্দক্রম পরিবর্তনও করা যাবে।

নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে ওই শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাশ।

৭ শতাংশ কোটায় ভর্তি

নীতিমালা অনুযায়ী, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে এসব আসনে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই কোটাপদ্ধতি শুধু ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম