ইবি ছাত্রের আকুতি
আপনারা সাহায্য না করলে মাকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যাবে
Advertisement
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ক্যানসারে আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী মো. নূরশেদ। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি ও তার পরিবার। তাই মাকে বাঁচাতে সহযোগিতার জন্য সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে আকুতি জানিয়েছেন এই শিক্ষার্থী।
নূরশেদ ইবির ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তাদের পরিবারে ছয় ভাই-বোন।
বাবা আব্দুল মালেক বর্তমানে বয়সের ভারে কাজ করতে পারছেন না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী তার প্রবাসী বড়ভাই। গত ১৯ আগস্ট তার মা সেতারা বেগমের পাকস্থলীর ক্যানসার (তৃতীয় পর্যায়) শনাক্ত হয়।
নূরশেদ জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার মাকে প্রাথমিকভাবে ছয়টি কেমোথেরাপি দিতে হবে। প্রতিটি কেমোথেরাপিতে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা খরচ হবে। ইতোমধ্যে একটি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। কেমোথেরাপিতে আশানুরূপ উন্নতি না হলে পরবর্তী ধাপে লেজার থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এরপর অস্ত্রোপচার করতে হবে, যার সম্ভাব্য খরচ আট লাখ টাকার বেশি। এতে তার মায়ের চিকিৎসায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার প্রয়োজন পড়বে।
তবে চিকিৎসার এই বিপুল ব্যয়ভার বহন করা তার পরিবারের জন্য দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রথম ধাপের কেমোথেরাপির চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তারা। তাই সবার কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন নূরশেদ।
নূরশেদ বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু চিকিৎসার ব্যয় আমাদের সামর্থ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। কেমোথেরাপি ও পরবর্তী অস্ত্রোপচারের খরচ জোগাতে না পারলে মাকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে সবার কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম- সিটি ব্যাংক, পাঁচ রাস্তার মোড় শাখা, কুষ্টিয়া। হিসাব নম্বর: ১৭৮১৮৩০০০২৬৩৫, রাউটিং নম্বর: ২২৫৫০০৯৪৩

