মৃত্যুর আগে নোটবুকে যা লিখে গেলেন ঢাবির সেই মেধাবী শিক্ষার্থী

  যুগান্তর ডেস্ক ০৮ মে ২০১৯, ০১:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

মৃত্যুর আগে নোটবুকে যা লিখে গেলেন ঢাবির সেই মেধাবী শিক্ষার্থী
না ফেরার দেশে চলে যাওয়া ঢাবির সেই মেধাবী শিক্ষার্থী তাওশিক আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

গত ২৯ এপ্রিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্র তাওশিক আহমেদ।

সিজিপিএ-৪ এর মধ্যে ৪ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি যা এখন শুধু ইতিহাস হয়েই থাকবে।

মেধাবী তাওশিকের এভাবে চলে যাওয়া মানতে পারছেন না বাবা-মা, সহপাঠি ও বগুড়ার নন্দীগ্রামের অধিবাসীরা।

এমন মেধাবী ছেলের মৃত্যুতে দেশের অনেক বড় একটি কিছু হারালো বলে মন্তব্য করছেন তারা।

মৃত্যুর আগে নিজের কিছু কথা নোটবুকে লিখে গেছেন মেধাবী তাওশিক। সেসব কথা ফেসবুকে শেয়ার করেছেন তার সাবেক সহকর্মী শেখ ফরিদ।

পাঠকদের জন্য তার সেই কথাগুলো তুলে ধরা হল- ‘আমার বয়স এখন সাতাশ, যদিও সার্টিফিকেট অনুযায়ী তা এখনো ২৫ পেরোয়নি। আমি আমার জীবনকে ভালোবাসি। আমি সুখী, আমার কাছের প্রিয়জনদের নিয়ে। কিন্তু সব ভালবাসা, আপনজনদের ছেড়ে খুবই দ্রুত আমাকে অন্য কোথাও চলে যেতে হবে।

যদিও আমি যেতে চাইনা, কিন্তু সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতে নেই। আমরা হয়তো একভাবে আমাদের জীবনকে সাজাতে ব্যস্ত, কিন্তু ভাগ্য নিয়ন্ত্রা হয়ত অন্য কিছু আমাদের জন্য সাব্যস্ত করে রেখেছেন। চাইলেই সবকিছু আমাদের ইচ্ছাধীন নয়।

আমি কখনোই তেমন কিছু লিখতাম না। কিন্তু আজ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমি সবাইকে কিছু কথা বলতে চাই : মানুষ মৃত্যুকে এমনভাবে যে কখনোই তা কাউকে স্পর্শ করবেনা। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে সবার জন্যই তা প্রযোজ্য, হয়তো কিছুটা সময়ের ব্যবধানে। আমি সবাইকে বলতে চাই, দয়া করে জীবনের ছোট ছোট, অর্থহীন অপ্রাপ্তি, কষ্টগুলোকে নিয়ে চিন্তা করা বাদ দিন।

বরং ভাবুন একটি সময়ে সবাইকে একই পরিণতির দিকে যেতে হবে। সূতরাং আমরা যা সময় পাচ্ছি তাকে অর্থপূর্ণ, আনন্দময় করাটাই মূখ্য হওয়া উচিৎ। জীবনকে জীবনের ছন্দে চলতে দেয়াটাই জীবনের আনন্দ।

যখন জীবনের সামনে বড় কোন সমস্যা এসে উপস্থিত হয়, তখন একটু চিন্তা করুন, আপনার আশেপাশে তাকান, দেখবেন অন্য অনেকে আরো অনেক বড় সমস্যায় জর্জরিত। তখন দেখবেন, আপনার সমস্যাকে……।’

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর
-

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×