আইসিইউ সিটের অনুমতির অভাবে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
jugantor
আইসিইউ সিটের অনুমতির অভাবে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  রাজশাহী ব্যুরো  

০১ অক্টোবর ২০২০, ১৮:২৭:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) পরিচালকের অনুমতির অভাবে আইসিইউতে সিট না পাওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। মামুন আলসার ও জন্ডিসে ভুগছিলেন। তবে জন্ডিসের কারণে সম্প্রতি তার কিডনি ‘অচল’ হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি রাজশাহীর নওহাটা এলাকার আক্কাস আলীর ছেলে।

হাসপাতালে মামুনের সঙ্গে থাকা তার সহপাঠী ইসমাইল হোসেন জনি জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে মামুনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়ার প্রয়োজন পড়ে। তারা আইসিইউর জন্য যোগাযোগ করলে একটি ‘রিজার্ভ’ সিট ফাঁকা আছে বলে জানানো হয়।

এই সিট পেতে হলে হাসপাতালের পরিচালকের লিখিত অনুমতি লাগবে বলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান। সিট পেতে হাসপাতাল পরিচালককে বারবার ফোন করা হলেও সাড়া মেলেনি। সকালে পরিচালকের সঙ্গে দেখা করার কথা বলা হয়। এরই মধ্যে মারা যান মামুন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এনামুল হক বলেন, মামুনের বাবা ও তার তিনজন সহপাঠী আমার কাছে এসেছিলেন। রাত ৪টার দিকে আমাকে এক ছাত্র মেসেজ করে আইসিইউয়ের জন্য সহযোগিতা করতে অনুরোধ জানান।

ঘুমিয়ে থাকায় তখন মেসেজের সাড়া দিতে পারিনি। পরে যোগাযোগ করা হলেও আইসিইউ পাওয়ার আগেই মারা যায় মামুন। সকাল ১০টার পর আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।

রাবি মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মামুনের আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। বিভাগের সভাপতি ড. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সমবেদনা জানানো হয়।

আইসিইউ সিটের অনুমতির অভাবে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

 রাজশাহী ব্যুরো 
০১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) পরিচালকের অনুমতির অভাবে আইসিইউতে সিট না পাওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। মামুন আলসার ও জন্ডিসে ভুগছিলেন। তবে জন্ডিসের কারণে সম্প্রতি তার কিডনি ‘অচল’ হয়ে যায় বলে জানা গেছে। 

মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি রাজশাহীর নওহাটা এলাকার আক্কাস আলীর ছেলে।  

হাসপাতালে মামুনের সঙ্গে থাকা তার সহপাঠী ইসমাইল হোসেন জনি জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে মামুনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়ার প্রয়োজন পড়ে। তারা আইসিইউর জন্য যোগাযোগ করলে একটি ‘রিজার্ভ’ সিট ফাঁকা আছে বলে জানানো হয়। 

এই সিট পেতে হলে হাসপাতালের পরিচালকের লিখিত অনুমতি লাগবে বলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান। সিট পেতে হাসপাতাল পরিচালককে বারবার ফোন করা হলেও সাড়া মেলেনি। সকালে পরিচালকের সঙ্গে দেখা করার কথা বলা হয়। এরই মধ্যে মারা যান মামুন। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এনামুল হক বলেন, মামুনের বাবা ও তার তিনজন সহপাঠী আমার কাছে এসেছিলেন। রাত ৪টার দিকে আমাকে এক ছাত্র মেসেজ করে আইসিইউয়ের জন্য সহযোগিতা করতে অনুরোধ জানান। 

ঘুমিয়ে থাকায় তখন মেসেজের সাড়া দিতে পারিনি। পরে যোগাযোগ করা হলেও আইসিইউ পাওয়ার আগেই মারা যায় মামুন। সকাল ১০টার পর আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। 

এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই।

রাবি মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মামুনের আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। বিভাগের সভাপতি ড. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সমবেদনা জানানো হয়।