আইন বিভাগের বেআইনি কাজ
jugantor
আইন বিভাগের বেআইনি কাজ

  ইবি প্রতিনিধি  

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২২:৪৩:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পরীক্ষা

করোনায় বন্ধ রয়েছে ক্যাম্পাস। বন্ধ ক্যাম্পাসে কেবল অনার্স এবং মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে এ সিদ্ধান্তের তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই সান্ধ্য কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের ৩১৬ ও ৩১৭নং কক্ষে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ভিসির নির্দেশে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রক্টর প্রফেসর ড. প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এভাবে পরীক্ষা নেওয়া তাদের উচিত হয়নি। ভিসির নির্দেশে কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষা স্থগিত করতে বলা হয়েছে। কেন পরীক্ষা নিয়েছে- এ বিষয়ে শনিবার ভিসির সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে বলেছি।

সান্ধ্য কোর্সের সমন্বয় কমিটি সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টায় কোর্সটির এলএলএম নবম ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবেদনকারী ৭৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯ জন অংশ নেয়। পাস করে ৫৬ জন। এছাড়া সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত আরও দুই ব্যাচের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে করোনা মাহামারিতে নিয়মিত ক্লাস পরীক্ষা ঠিকমতো না হলেও সান্ধ্যকালীন কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলছে সমালোচনা। আইন বিভাগে সান্ধ্য কোর্স নিয়ে এর আগেও বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে স্টোর রুমের দরজা আটকিয়ে পরিদর্শক ছাড়াই সান্ধ্য কোর্সের এক শিক্ষার্থীর একদিনে তিনটি কোর্সের টানা নয় ঘণ্টা পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগে দায়িত্বরত শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় প্রশাসন। একই সঙ্গে এ নিয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে সমন্বয় কমিটির সদস্য সহযোগী অধ্যাপক মাহবুব বিন শাজাহান শুভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল বিভাগে পরীক্ষা হবে। এরা অনেক দিন বসে আছে, অপেক্ষায় আছে। তখন ভিসি স্যারের সঙ্গে মনে হয় জহুরুল স্যার কথা বলে পরীক্ষা নিয়েছেন।

আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. হালিমা যুগান্তরকে বলেন, বিভাগের অধীনে একটি কমিটি থাকে। অনুমতি নিয়েছে কিনা কমিটি বিষয়টি বলতে পারবে। তবে আজ এবং আগামীকাল ভর্তি পরীক্ষা ছিল সেটি স্থগিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, আমি রেগুলার শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে পারছি না; আর ইভিনিংয়ের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য লালায়িত? প্রক্টরকে বলেছি পরীক্ষা বন্ধ করে দিতে।

আইন বিভাগের বেআইনি কাজ

 ইবি প্রতিনিধি 
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পরীক্ষা
ইবিতে সান্ধ্য কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা। ছবি: যুগান্তর

করোনায় বন্ধ রয়েছে ক্যাম্পাস। বন্ধ ক্যাম্পাসে কেবল অনার্স এবং মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে এ সিদ্ধান্তের তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই সান্ধ্য কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের ৩১৬ ও ৩১৭নং কক্ষে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ভিসির নির্দেশে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রক্টর প্রফেসর ড. প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এভাবে পরীক্ষা নেওয়া তাদের উচিত হয়নি। ভিসির নির্দেশে কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষা স্থগিত করতে বলা হয়েছে। কেন পরীক্ষা নিয়েছে- এ বিষয়ে শনিবার ভিসির সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে বলেছি।

সান্ধ্য কোর্সের সমন্বয় কমিটি সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টায় কোর্সটির এলএলএম নবম ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবেদনকারী ৭৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯ জন অংশ নেয়। পাস করে ৫৬ জন। এছাড়া সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত আরও দুই ব্যাচের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে করোনা মাহামারিতে নিয়মিত ক্লাস পরীক্ষা ঠিকমতো না হলেও সান্ধ্যকালীন কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলছে সমালোচনা। আইন বিভাগে সান্ধ্য কোর্স নিয়ে এর আগেও বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে স্টোর রুমের দরজা আটকিয়ে পরিদর্শক ছাড়াই সান্ধ্য কোর্সের এক শিক্ষার্থীর একদিনে তিনটি কোর্সের টানা নয় ঘণ্টা পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগে দায়িত্বরত শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় প্রশাসন। একই সঙ্গে এ নিয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে সমন্বয় কমিটির সদস্য সহযোগী অধ্যাপক মাহবুব বিন শাজাহান শুভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল বিভাগে পরীক্ষা হবে। এরা অনেক দিন বসে আছে, অপেক্ষায় আছে। তখন ভিসি স্যারের সঙ্গে মনে হয় জহুরুল স্যার কথা বলে পরীক্ষা নিয়েছেন। 

আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. হালিমা যুগান্তরকে বলেন, বিভাগের অধীনে একটি কমিটি থাকে। অনুমতি নিয়েছে কিনা কমিটি বিষয়টি বলতে পারবে। তবে আজ এবং আগামীকাল ভর্তি পরীক্ষা ছিল সেটি স্থগিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, আমি রেগুলার শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে পারছি না; আর ইভিনিংয়ের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য লালায়িত? প্রক্টরকে বলেছি পরীক্ষা বন্ধ করে দিতে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর