ঢামেকে মৃত ঘোষণার পর দাফনকালে নড়ে ওঠা শিশুটি মারা গেছে
jugantor
ঢামেকে মৃত ঘোষণার পর দাফনকালে নড়ে ওঠা শিশুটি মারা গেছে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ অক্টোবর ২০২০, ১২:০৭:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢামেকে মৃত ঘোষণার পর দাফনকালে নড়ে ওঠা শিশুটি মারা গেছে

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে দাফন করতে গিয়ে নড়েচড়ে ওঠা শিশুটি মারা গেছে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় ঢামেকে মৃত্যু হয় শিশুটির।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দাফনের সময় জীবিত উদ্ধার হওয়া নবজাতকটি রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা গেছে।

ঢাকা মেডিকেলের এনআইসিইউতে ভর্তি ছিল শিশুটি। তার অবস্থা প্রথম থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

তার নাম রাখা হয়েছিল মরিয়ম।

জানা গেছে, ছয় মাস ১৬ দিনের অন্তঃসত্ত্বা শাহীনুর বেগমকে গত বুধবার ঢামেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করেন স্বামী বাসচালক ইয়াসিন। ঢাকা মেডিকেলের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করার পর সেখানকার চিকিৎসকরা শাহীনুরকে দেখেন এবং জানান তার রক্তচাপ অনেক বেশি।

ইয়াসিন জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল– অনাগত সন্তানটি ডেলিভারি না করালে শাহীনুরের রক্তচাপ কমবে না। চিকিৎসকদের কথায় সম্মতি দেন স্বামী ইয়াসিন। বুধবার রাতেই তাকে লেবার রুমে নিয়ে স্বাভাবিক ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়। ডেলিভারি না হওয়ায় তাকে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দুদিন চেষ্টার পরও ডেলিভারি হয়নি।

শুক্রবার ভোরে শাহীনুরের আবার ব্যথা শুরু হয়। এর পর পৌনে ৫টার দিকে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। চিকিৎসকরা জানান, নবজাতক মৃত অবস্থায় জন্ম হয়েছে।

ইয়াসিন বলেন, এর পর হাসপাতালের আয়া নবজাতককে বেডের নিচে রেখে দেন এবং কোথাও নিয়ে দাফন করার জন্য বলেন।

সকাল ৮টার দিকে ইয়াসিন নবজাতককে আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যান। সেখানে ১৫০০ টাকা সরকারি ফি দিতে না পারায় তাদের পরামর্শে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে ৫০০ টাকা ফি ও কিছু বকশিশ দেয়ার পর নবজাতকটির জন্য কবর খোঁড়া শুরু হয়। কবর খোঁড়া যখন শেষ পর্যায়ে, তখন নবজাতক নড়ে ওঠে। তার কান্নার শব্দ শুনতে পান ইয়াসিন। এর পর দেখেন বাচ্চাটি নড়াচড়া করছে, কান্নাকাটি করছে।

এর পরই তাকে দ্রুত আবার ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন এবং তাকে চিকিৎসকরা দেখে পরে নবজাতক বিভাগে ভর্তি করেন বলে জানান তার বাবা।

ঢামেকে মৃত ঘোষণার পর দাফনকালে নড়ে ওঠা শিশুটি মারা গেছে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ অক্টোবর ২০২০, ১২:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঢামেকে মৃত ঘোষণার পর দাফনকালে নড়ে ওঠা শিশুটি মারা গেছে
ফাইল ছবি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে দাফন করতে গিয়ে নড়েচড়ে ওঠা শিশুটি মারা গেছে।  বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় ঢামেকে মৃত্যু হয় শিশুটির। 

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দাফনের সময় জীবিত উদ্ধার হওয়া নবজাতকটি রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা গেছে।

ঢাকা মেডিকেলের এনআইসিইউতে ভর্তি ছিল শিশুটি। তার অবস্থা প্রথম থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

তার নাম রাখা হয়েছিল মরিয়ম।

জানা গেছে, ছয় মাস ১৬ দিনের অন্তঃসত্ত্বা শাহীনুর বেগমকে গত বুধবার ঢামেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করেন স্বামী বাসচালক ইয়াসিন। ঢাকা মেডিকেলের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করার পর সেখানকার চিকিৎসকরা শাহীনুরকে দেখেন এবং জানান তার রক্তচাপ অনেক বেশি।

ইয়াসিন জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল– অনাগত সন্তানটি ডেলিভারি না করালে শাহীনুরের রক্তচাপ কমবে না।  চিকিৎসকদের কথায় সম্মতি দেন স্বামী ইয়াসিন। বুধবার রাতেই তাকে লেবার রুমে নিয়ে স্বাভাবিক ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়।  ডেলিভারি না হওয়ায় তাকে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়।  সেখানে চিকিৎসকরা দুদিন চেষ্টার পরও ডেলিভারি হয়নি।

শুক্রবার ভোরে শাহীনুরের আবার ব্যথা শুরু হয়। এর পর পৌনে ৫টার দিকে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি।  চিকিৎসকরা জানান, নবজাতক মৃত অবস্থায় জন্ম হয়েছে।

ইয়াসিন বলেন, এর পর হাসপাতালের আয়া নবজাতককে বেডের নিচে রেখে দেন এবং কোথাও নিয়ে দাফন করার জন্য বলেন।

সকাল ৮টার দিকে ইয়াসিন নবজাতককে আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যান। সেখানে ১৫০০ টাকা সরকারি ফি দিতে না পারায় তাদের পরামর্শে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে ৫০০ টাকা ফি ও কিছু বকশিশ দেয়ার পর নবজাতকটির জন্য কবর খোঁড়া শুরু হয়। কবর খোঁড়া যখন শেষ পর্যায়ে, তখন নবজাতক নড়ে ওঠে। তার কান্নার শব্দ শুনতে পান ইয়াসিন।  এর পর দেখেন বাচ্চাটি নড়াচড়া করছে, কান্নাকাটি করছে।

এর পরই তাকে দ্রুত আবার ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন এবং তাকে চিকিৎসকরা দেখে পরে নবজাতক বিভাগে ভর্তি করেন বলে জানান তার বাবা।