Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

চট্টগ্রামে মতবিনিময় সভায় বক্তারা

আগামীতে ইপিআই কর্মসূচিভুক্ত হবে টাইফয়েড টিকা

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩০ পিএম

আগামীতে ইপিআই কর্মসূচিভুক্ত হবে টাইফয়েড টিকা

Advertisement

সরকার দেশে প্রথমবার বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে টাইফয়েড টিকা প্রদান করছে। আগামীতে এটি শিশুদের সম্প্রসারিত টিকা কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় চলে আসবে। তখন কেউ আর কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ পাবে না। টাইফয়েড টিকা নিয়ে সংশয় বা গুজবের কোনো সুযোগ নেই।

শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মাস কমিউনিকেশনের উদ্যোগে বিভাগীয় পর্যায়ে টাইফয়েড টিকা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানে ‘টিসিভি ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন’ শীর্ষক পাওয়ার প্রেজেন্টেশনে টাইফয়েড টিকার যাবতীয় ইতিবাচক দিক বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মাস কমিউনিকেশনের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবিব পলাশ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক (‌স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, ইউনিসেফের চট্টগ্রামপ্রধান মাধুরী ব্যানার্জি। 


টাইফয়েড কর্মসূচির ওপর বিষয়ভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন করেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিসেফের ইপিআই বিশেষজ্ঞ ডা. সারওয়ার আলম ও মনজুর আলম। 

ড. মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও চলছে টাইফয়েড টিকা কার্যক্রম। আশা করছি, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় টাইফয়েড টিকা কর্মসূচিতে দেশে চট্টগ্রাম বিভাগ প্রথম হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

মুহাম্মদ হিরুজ্জামান বলেন, এই টিকা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক বেশি কার্যকর। বিষয়টি সাধারণ মানুষেরা ভালোভাবে রপ্ত করেছেন।

ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, টাইফয়েড টিকাকে নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ টাকা কামানোর ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে মানুষ এখন অনেক সচেতন।

ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চট্টগ্রামে ১৬ লাখ ৩২ হাজার শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। এরইমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এতে অভিভাবকদের পাশাপাশি আমরাও আনন্দিত।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম