Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়লেন যুবদল নেতা

Advertisement

Icon

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:০৯ পিএম

দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়লেন যুবদল নেতা

Advertisement

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. হোসেন মিয়া দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেন।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি এ ঘোষণা দেন। ভিডিওতে তাকে দুধ ঢেলে গোসল করতে দেখা যায়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি ক্ষোভ, হতাশা ও বঞ্চনার ভাষায় লিখেছেন, ‘আমার এই ভিডিওটা দেখার পর সবার কাছে আমি হাসির পাত্র হিসেবে থাকব, এমনিতেই আমি আজ সবার হাসির পাত্র। আমি ধ্বংস হয়নি, আমাকে ধ্বংস করা হয়েছে, আর সেটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সিস্টেমের কাছে যে সিস্টেমটার নাম হচ্ছে টাকা আর ষড়যন্ত্র।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমার কাছের মানুষগুলো আমার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছে। আমার মতো মানুষের রাজনীতিতে দুই-চারটা না থাকলে কিছুই হবে না; কিন্তু একটা প্রশ্ন রেখে যাই- আমার লড়াইটা কিসের জন্য ছিল? আমার লড়াইটা ছিল বিএনপির জন্য, যুবদলের জন্য, চাঁদপুর-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী জালাল সাহেবের জন্য।’

হোসেন মিয়া আরও লেখেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দোসরদের যোগসাজশে তাকে রাজনীতি থেকে সরানো হয়েছে। আজ বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের দোসররা মিলেমিশে ষড়যন্ত্র করে, টাকার পাওয়ারে, ক্ষমতার পাওয়ারে আমার মতো ক্ষুদ্র কর্মীকে ধ্বংস করেছে।’

তার পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সকল প্রকার রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম। বলার মতো অনেক কথা আছে কিন্তু ভাষা নেই। সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।’

হোসেন মিয়ার ভিডিও ও বক্তব্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তাকে সমর্থন ও সহানুভূতি জানিয়েছেন, আবার অনেকে এ ঘটনাকে আবেগী সিদ্ধান্ত বা অতিরঞ্জন হিসেবে দেখছেন।

উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ জামান টিপু বলেন, আমরা হোসেন মিয়ার ভিডিওটি দেখেছি। রাজনীতি হচ্ছে আদর্শ ও সংগঠনের জন্য কাজ করার জায়গা। ব্যক্তিগত হতাশা বা চাপের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া দুঃখজনক। তিনি আমাদের কর্মী ছিলেন, ভুল বোঝাবুঝি বা অভিমান থাকলে আলোচনা ও সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যেই সমাধান হতে পারত। আমরা তাকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাই।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম