শীত। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জয়পুরহাটে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তীব্র কুয়াশা আর বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। হাড়কাঁপানো শীত জেঁকে বসেছে জেলার সর্বত্র।
ঘন কুয়াশায় সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে শীতের প্রকোপ আর বৃষ্টির পানি মতো ঝরছে শিশির। ভিজে গেছে পাকা সড়ক ও ঘাস। দিনের বেলা মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে।
অন্যদিকে জীবিকার প্রয়োজনে বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। ফলে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
নওগাঁর বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, বুধবার ভোর ৬টায় জয়পুরহাটসহ পার্শ্ববর্তী নওগাঁর বদলগাছীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯টার সময়ও তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকে। গত কয়েকদিনের তুলনায় তাপমাত্রা আজ কম, কুয়াশাও বেশি। হালকা বৃষ্টির মতো পড়ছে শিশির।
জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কে বাস চালক মুহিবুল বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে একই অবস্থা। কুয়াশা কমে না। দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে বাস চালাতে হচ্ছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতাল গেটে কথা হয় পাঁচবিবি উপজেলার দানেজপুর গ্রামের আব্দুল বারিকের সঙ্গে। তিনি বলেন, কয়েকদিনের প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে গত রাতে আমার এক প্রতিবেশী ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সকালে হাসপাতালে এসে তাকে ভর্তি করিয়েছি। নিচে ওষুধ নিতে এসেছি। তার শরীরে এখন স্যালাইন চলছে।
এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। জয়পুরহাট ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিনে তুলনায় মঙ্গলবার বিকাল থেকে হাসপাতালের শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে। নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আবার অনেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গেছে।
জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, কয়েক দিনের প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। শীত বাড়ায় শিশু ও বয়স্কদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
