তুরাগ তীরে দোয়ার মাধ্যমে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী খুরুজের জোড়
টঙ্গী পূর্ব (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে দোয়ার মাধ্যমে শেষ হয়েছে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের অধীনে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী খুরুজের জোড়। রোববার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামে ইজতেমা ময়দানে।
দোয়ায় অংশ নেন প্রায় ৭২টি দেশ থেকে আসা ২ হাজার ৫০০ বিদেশি মেহমান ও বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
রোববার বাদ ফজর পাকিস্তানের শীর্ষ মুরুব্বি মাওলানা উবায়দুল্লাহ খুরশিদ হেদায়েতি (যারা আল্লাহর রাস্তায় বের হচ্ছেন তাদের জন্য দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য) বয়ান করেন।
হেদায়েতের বয়ানের পরে দোয়া শুরু হয়। সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে দোয়া শুরু হয়ে ৮টা ৪৪ মিনিটে শেষ হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাদেশের তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বি হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, দাগেস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, কানাডা, বেলজিয়াম, ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, ইতালি, জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান, জর্ডান, তিউনিসিয়া, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, কিরগিজস্তান, মিয়ানমার, জাম্বিয়া, মোজাম্বিয়া, সোমালিয়া, সোমালিল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তানের বিদেশি মেহমানদের জামাতসহ বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জামাত খুরুজের জোড় থেকে আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াতি কাজে বের হয়।
তিনি আরও জানান, শুরায়ি নেজামের অধীনে আরও বেশি জামাত আল্লাহর রাস্তায় বের হতো, সাদপন্থিদের চক্রান্ত ও সরকারি প্রজ্ঞাপনের কারণে আমাদের মূল মজমাকে বিভক্ত করে যার যার নিজ জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সাদপন্থিরা টঙ্গী মাঠে কোনো জোড় বা ইজতেমা করবে না-এ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে গত বছর ইজতেমা করে; যা প্রশাসনসহ সবাই অবগত রয়েছে। তারপরও তারা এ বছর একটি অযৌক্তিক দাবি উত্থাপন করে ইজতেমা করতে চায় বলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে। পরবর্তীতে এ প্রজ্ঞাপন আসে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পরে ৫৯তম টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
