Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা নামল ৮.৬ ডিগ্রিতে

Icon

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা নামল ৮.৬ ডিগ্রিতে

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় হিমেল হাওয়ার দাপটে জেঁকে বসেছে শীত। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকছে চারদিক। শীতের তীব্রতায় ভোগান্তিতে পড়েছেন দরিদ্র মানুষ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের অবজারভেশন কর্মকর্তা আনিছুর রহমান। তিনি জানান, এরকম আবহাওয়া আরও কয়েক দিন থাকতে পারে। 

ভোর থেকে বিকাল পর্যন্ত সারাদিন ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন-জীবিকা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চা বাগানের শ্রমিকসহ দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক ও কৃষি শ্রমিকরা। কাজ না থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন মানুষ। ফলে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। যারা বের হচ্ছেন তারাও শীতের কারণে তাড়াতাড়ি নিজ নিজ বাসায় ফিরছেন। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে খেটে খাওয়া মানুষ কাজে যেতে পারছেন না। শীত থেকে রক্ষা পেতে মানুষকে মাঠে আগুন জ্বালিয়ে শরীরে উত্তাপ নিতে দেখা যায়। 

শীতের প্রভাব পড়েছে কৃষি খাতেও। কুয়াশার কারণে সবজি খেত ও ইরি-বোরো বীজতলায় রোগের প্রকোপ বাড়ছে। কৃষকরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘদিন কুয়াশা ও শীত অব্যাহত থাকলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। 

স্থানীয় কৃষক আজাদুর রহমান বলেন, কনকনে শীতে বীজতলার চারাগুলো লালচে ও কোঁকড়ানো হয়ে যাচ্ছে। চারা ভালো না হলে ধান লাগাবো কী দিয়ে? 

এদিকে শীতের কারণে গত কয়েক দিন থেকে জ্বর, সর্দি, অ্যাজমা, হাঁপানি ও ডায়রিয়াজনিত রোগীর সংখ্যা হাসপাতালে বেড়ে চলছে।  কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কিছু রোগী হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন আবার কিছু কিছু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।   

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .