Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

পাওনা টাকা নিয়ে ঝগড়া, স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে যুবককে হত্যা

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৩৬ এএম

পাওনা টাকা নিয়ে ঝগড়া, স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে যুবককে হত্যা

Advertisement

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে ঝগড়ার জেরে মো. শাকিল (৩০) নামে এক যুবককে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মো. তামিমের বিরুদ্ধে। 

রোববার (১১ জানুয়ারি) ভোরে রাজধানী ঢাকার নিউরোসাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাকিলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শাকিলের বাবা বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

নিহত শাকিল উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের কেরানির দোকান এলাকার মো. ইউনুছের ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। 

এর আগে, শনিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আড়ালিয়া এলাকার কেরানির দোকানের সামনে শাকিলকে স্ট্যাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করেন একই গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরনবীর ছেলে মো. তামিম। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাকিলের ভাই রাকিবের কাছে তামিম হোসেন ৬০০ টাকা পাওনা ছিল। পাওনা টাকা নিয়ে শনিবার বিকালে মাঠে ক্রিকেট খেলার সময় রাকিব ও তামিমের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে রাকিবের বড় ভাই শাকিল ঝগড়া থামাতে গিয়ে তামিমকে থাপ্পড় দেন। 

তারা জানান, ওইদিন সন্ধ্যায় শাকিল ঘটনাস্থলে দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে টিভি দেখছিলেন। হঠাৎ করে তামিম পেছন দিক থেকে এসে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে শাকিলের মাথায় আঘাত করেন, এতে শাকিল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখান থেকে তাকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়, অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন রোববার ভোরে শাকিল মৃত্যুবরণ করেন। 

মো. ইউনুস অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। 

তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. আবদুস সালাম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। রোববার সকালে নিহতের বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত তামিমের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম