Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

কুয়াশার চাদর সরিয়ে অবশেষে উত্তরের জনপদে মিঠে রোদের পরশ

Advertisement

Icon

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম

কুয়াশার চাদর সরিয়ে অবশেষে উত্তরের জনপদে মিঠে রোদের পরশ

ছবি: যুগান্তর

Advertisement

কনকনে ঠান্ডা আর হাড়কাঁপানো উত্তুরে হাওয়ার দাপট কাটিয়ে অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল উত্তর জনপদের জেলা ঠাকুরগাঁও। 

গত কয়েক দিনের অবিরাম কুয়াশার চাদর সরিয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ দেখা মিলল ‘সূর্যিমামা’র। মেঘমুক্ত আকাশে সোনালী আভা ছড়িয়ে পড়তেই পালটে গেল জনজীবনের ছবিটা। কর্মব্যস্ততা আর শিশু-কিশোরদের হুল্লোড়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পাড়া-মহল্লায় ফিরল হারানো চনমনে মেজাজ।

​বৃহস্পতিবার থেকেই উত্তুরে হাওয়ায় কার্যত জবুথবু হয়ে পড়েছিল এই জনপদ। রোববার সামান্য সময়ের জন্য সূর্যের মুখ দেখা গেলেও সোমবার থেকে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটে। মঙ্গলবার সকাল হতেই দেখা গেল অন্য দৃশ্য— শহরের টিনের চাল আর শীতের আড়ষ্টতায় নুয়ে পড়া গাছের পাতায় রুপোলি ঝিলিক। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ডানা ঝাপটে নতুন রোদের  মিষ্টি স্বাদ মেখে নিতে দেখা গেল পাখিদেরও।

​কৃষিজীবী মানুষের কাছে এই রোদ যেন প্রকৃতির এক অনন্য আশীর্বাদ। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের পাইক গ্রামের কৃষকদের চোখেমুখে এখন দুশ্চিন্তার বদলে স্বস্তির ছাপ। বোরো চাষের ভরা মৌসুমে এই রোদ অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছেন তারা। 

স্থানীয় কৃষক ফরহাদ হোসেনের কথায়, সোমবার থেকে কাঁপুনি আর কুয়াশা যেন বিশ্রামে গিয়েছে। এটা আমাদের কাছে উপহারের মতো। তবে মাঘ মাসের শীতের কামড় এখনো বাকি, সেই অনুভূতি হবে আরও অন্যরকম।

তিনি আরও জানান, কড়া রোদ না উঠলে ধানের চারা নিয়ে বড়সড় বিপদের আশঙ্কায় ছিলেন তারা।

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে,  সোমবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সকালে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দফতরের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম জানান, গত দুই দিনের রোদ প্রকৃতির এক প্রশান্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, টানা রোদ ওঠায় খেতের ফসলে রোগবালাইয়ের আশঙ্কাও অনেকটা প্রশমিত হয়েছে।

​সব মিলিয়ে, কুয়াশার আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধন আলগা হতেই হিমেল কামড় কাটিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের জনজীবন এখন ফের সচল।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম