Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

শ্রমিকবেশে ঢুকে রাতযাপন, বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা করে টাকা-স্বর্ণ লুট

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল

প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম

শ্রমিকবেশে ঢুকে রাতযাপন, বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা করে টাকা-স্বর্ণ লুট

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। অভিযোগের তীর উঠেছে ধানের চারা রোপণ করতে আনা অজ্ঞাত দুই শ্রমিকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তারা শ্রমিকবেশে ঢুকে ওই বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামে তাদের নিজ ঘর থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের মোতাহার সিকদার ওরফে ঠান্ডু (৭৫) ও তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৬৫)।

নিহতের নাতি শাকিল সিকদার বলেন, গত রোববার কৃষিজমিতে ধানের চারা রোপণ করার জন্য শরিফ ও সুমন নামের অজ্ঞাত দুইজন শ্রমিক আনা হয়। আমার দাদার পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা ছিল। পরে শ্রমিকরা পায়ের ব্যথা ভালো করার জন্য দাদাকে কবিরাজি ওষুধ খেতে দেয়। রাতে দাদার ঘরের বারান্দায় শ্রমিকদের ঘুমানোর জন্য জায়গা দেওয়া হয়। আর দাদা ও দাদি ঘরের ভেতরে ঘুমান।

তিনি বলেন, রাতের কোনো এক সময় ঘরের টিন কেটে ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে শ্রমিকরা। এ সময় দাদা ও দাদিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় শ্রমিকরা। পরে সকালে তাদের দুইজনকে উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেন, দুইজন অজ্ঞাত শ্রমিকের বিরুদ্ধে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তির দাবির জানাচ্ছি।

এদিকে অজ্ঞাত দুইজন শ্রমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘর থেকে কী কী মালামাল লুট হয়েছে তা এখনও নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, ধানের চারা রোপণের জন্য দুইজন শ্রমিক আনা হয়েছিল। ভোর থেকে তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। এই বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত দুইজন শ্রমিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .