|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া (ধানের শীষ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলটন বৈদ্য (কলস) দুই প্রার্থীকে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি শোকজ করেছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুই প্রার্থীকে সশরীরে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে হাজির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের কালিবাজারে উভয় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘটিত সংঘর্ষের ঘটনায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলটন বৈদ্য মাদারীপুর-২ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এ শোকজ করেছে।
শোকজ নোটিশে বলা হয় যে, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৬(ক) অনুসারে প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন এবং প্রতিপক্ষের জনসভা, শোভাযাত্রা এবং অন্যান্য প্রচারাভিযান পণ্ড বা তাতে বাধা প্রদান বা ভীতিসঞ্চারমূলক কিছু করা যাবে না মর্মে বিধান রয়েছে। দাখিলকৃত অভিযোগ মতে আপনার (জাহান্দার আলী জাহান) সমর্থকরা বলপ্রয়োগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্যের নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা প্রদান করেছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে কেন আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ হবে না এবং নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হবে না- সেই মর্মে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য কমিটি কর্তৃক নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
অপরদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটর শোডাউন করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলটন বৈদ্যকেও শোকজ করা হয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৯(ক) অনুসারে নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেল কিংবা অন্য কোনো যান্ত্রিক বাহন সহকারে কোনো মিছিল, জনসভা কিংবা কোনরূপ শোডাউন করতে পারবেন না; মর্মে বিধান থাকলেও মিল্টন বৈদ্য শোডাউন করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন মর্মে কমিটির কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে।
এমতাবস্থায় তার বিরুদ্ধে কেন যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে মর্মে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি কর্তৃক নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি তাদের সশরীরে হাজিরার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
