Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

নির্বাচনি সহিংসতায় পুড়ল ৪ দোকান

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, আমতলী (বরগুনা)

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৩ পিএম

নির্বাচনি সহিংসতায় পুড়ল ৪ দোকান

Advertisement

বরগুনার আমতলী উপজেলার সোনাখালী ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং হলদিয়া ইউনিয়নের জুলেখার স্লুইস সংলগ্ন এলাকার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্তরা। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।

ক্ষতিগ্রস্ত রাশিদুল আকনের অভিযোগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীকে ভোট দেওয়ায় বিএনপি নেতা নাশির উদ্দিন, সাহাবুদ্দিন ও তাদের নেতাকর্মীরা তাকেসহ কয়েকজনকে মারধর করে দোকান বন্ধ করে দেয়। তারই জের ধরে তারা দোকানে পেট্রল দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় রাশিদুল আকন মুদি-মনোহরি, আল আমিন ফার্মেসি ও স্বপন দাশ সেলুনের ব্যবসা করে আসছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পেট্রল দিয়ে আগুন দেয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ওই তিনটি দোকান পুড়ে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

অপরদিকে একই রাতে হলদিয়া ইউনিয়নের জুলেখার স্লুইস সংলগ্ন স্থানে লতিফ হাওলাদারের মুদি-মনোহরি ও কীটনাশক ওষুধের দোকানে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। ওই ঘরে বিদ্যুতের কোনো সংযোগ ছিল না। এতে তার অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, দুর্বৃত্তরা পেট্রল দিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী ব্রিজসংলগ্ন এলাকার দোকান মালিক রাশিদুল আকন বলেন, দুর্বৃত্তরা পেট্রল দিয়ে দোকান পুড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি ও আল আমিনসহ বেশ কয়েকজনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাশির উদ্দিন ও তার সহযোগী সাহাবুদ্দিন, নিজাম আকন ও নেওয়াজ আমাদের মারধর করে দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। তারই জের ধরেই আবার তারা দোকানে পেট্রল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. নাশির উদ্দিন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। কে বা কারা দোকানে আগুন দিয়েছে তা আমি জানি না।

তিনি আরও বলেন, রাশিদুল আকন ও আল আমিনের সঙ্গে গত ১২ ফেব্রুয়ারি একটা ঘটনা ঘটেছিল তা ছিল পারিবারিক, এখানে রাজনৈতিক কোনো বিষয় ছিল না।

আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর মো. হানিফ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই আগুন স্থানীয়রা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে কিভাবে আগুন লেগেছে তার চিহ্নিত করা যায়নি।

আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম