Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

টিকটকে পরিচয়, দেখা করতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

Icon

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম

টিকটকে পরিচয়, দেখা করতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

সোশ্যাল মিডিয়া টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর বিয়ের আশ্বাসে রাজবাড়ীর পাংশায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে এক তরুণী (২২) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  এ ঘটনায় ওই তরুণী শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

বিষয়টি রোববার (১ মার্চ) দুপুরে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলাম।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজবাড়ীর পাাংশার সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গায় একটি আশ্রয়ণের ঘরে ঘটনাটি ঘটে। 

অভিযুক্তরা হলেন- পাংশার সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী গ্রামের মোগবুল মন্ডলের ছেলে আকাশ মন্ডল (২৯), একই ইউনিয়নের আরশেদ মন্ডলের ছেলে জামাল মন্ডল (২২)।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বাসিন্দা ২২ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের এক যুবকের প্রায় সাত মাস ধরে টিকটকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটে।

ভুক্তভোগীর দাবি, ওই যুবকের বন্ধু আকাশ মণ্ডল তাকে আশ্বাস দেন, পাংশায় এলে তার সঙ্গে সাবেক প্রেমিকের বিয়ে সম্পন্ন করে দেওয়া হবে। ওই আশ্বাসে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই তরুণী পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছেন। পরে আকাশ মণ্ডলের নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে করে সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা এলাকায় যান তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আকাশ মণ্ডল পরে ওই তরুণীকে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রের একটি কক্ষে নিয়ে যায়, যেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল জামাল মণ্ডল (২২) নামের আরেক ব্যক্তি। সেখানে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আকাশ ও জামাল ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে জানালে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী তরুণী মামলার অভিযোগে জানান, আকাশ ও জামাল তার কানে থাকা স্বর্ণের দুল, ব্যাগে থাকা নগদ অর্থ এবং মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। 

এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ধর্ষনের এ ঘটনায় পাংশা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .