|
ফলো করুন |
|
|---|---|
স্থানীয় সরকার বিভাগ সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এতে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকার ও বিরোধী দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এরই মাঝে বিএনপির ৬ প্রার্থী ভোটে লড়ার প্রস্তুতি এবং দলীয় সমর্থন পেতে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।
জামায়াত এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। দলীয়ভাবে নির্বাচনি তৎপরতা শুরু করেছে। তবে ঈদুল ফিতরের পর এ সিটি নির্বাচনের প্রার্থীরা জোরালোভাবে মাঠে নামতে পারেন।
কুসিক নির্বাচনে মেয়র পদে সরকারি দলের সমর্থন পেতে দৌড়ঝাঁপ করছেন কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, বিএনপি নেতা কাউসার জামান বাপ্পী। এ ছাড়া বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে দলীয় সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার।
২০১১ সালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত তিনবার নির্বাচন ও একবার উপ-নির্বাচন হয়েছে। ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদ পতনের পর কুমিল্লা সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ করেছে সরকার। অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম প্রশাসক হিসভবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ঈদের পর কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের শিডিউল আসতে পারে। সে লক্ষ্যে আমরা ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছি। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সবাইকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, দল যদি আমাকে সুযোগ দেয় আমি কুমিল্লা সিটির মেয়র পদে নির্বাচন করতে প্রস্তুত আছি। তবে মনোনয়ন পাই আর না পাই দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।এ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, দলের কাছে মনোনয়ন ও সমর্থন চাইব। আমি মেয়র পদে সুযোগ পেলে নিজের সবটুকু অভিজ্ঞতা দিয়ে নগরবাসীর জন্য কাজ করব। নির্বাচনে অংশগ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি আমার রয়েছে।
সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি আমার জায়গা থেকে বিএনপির জন্য কাজ করছি। নেতাকর্মীদের চাপের মুখে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বহিষ্কার হয়েছি। তবে দলের সাথে কখনো বেইমানি করিনি। গত সংসদ নির্বাচনে আমার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দলের হাইকমান্ড অবগত রয়েছে। আগামীতে দল যদি আমাকে সুযোগ দেয় আমি কাজ করতে প্রস্তুত আছি।
তিনি বলেন, নগরবাসীর জন্য অনেক বছর ধরে কাজ করছি। নির্বাচন এলেই এ নগরীর বাসিন্দারা আমার ওপর আস্থা রাখে।

