হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে তোপের মুখে যুগ্ম সচিবসহ সিভিল সার্জন
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
গাইবান্ধায় জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে তোপের মুখে পড়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে তিনি জুলাই যোদ্ধা ও উপস্থিত লোকজনসহ গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
এ সময় জুলাই যোদ্ধাসহ গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালের সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ সিভিল সার্জনসহ অন্যদের বহিষ্কার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তারদের অবহেলা, চিকিৎসা সংকট অনিয়ম, দুর্নীতি, জনবল সংকট চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। হাসপাতালে জনবল সংকট, ওষুধ সংকট, নিম্নমানের খাবার পরিবেশন, রোগী রেখে ডাক্তারদের আড্ডা দেওয়া, দালাল চক্রের হাতে জিম্মি থাকতেন রোগী ও তার স্বজনরা। তাছাড়া চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকলেও তা সাধারণ মানুষের কোনো কাজে আসত না। বাহির থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসতে হতো।
যুগ যুগ ধরে গাইবান্ধায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনদের হাসপাতাল ছেড়ে গরু-ছাগল বিক্রি করে ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে হতো।
এমন অব্যবস্থাপনা দেখতে গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ আব্দুল করিম হাসপাতাল পরিদর্শন করে চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারপরও হাসপাতালে সেবার মান বাড়েনি।
সোমবার দুপুরে ঢাকা থেকে এ অবস্থা সরেজমিন দেখতে আসেন স্বাস্থ্য বিভাগের যুগ্ম সচিব ইশতিয়াক আহম্মেদ পলাশ। তার সঙ্গে ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ অন্যরা।
পরিদর্শন শেষে তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে বসার পর গণমাধ্যমকর্মী ও জুলাই যোদ্ধারা তার কাছে হাসপাতালের নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি সব প্রশ্নের জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান এবং হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যান।
এ সময় ক্ষুব্ধ জুলাই যোদ্ধারা সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামানের বহিষ্কার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে যুগ্ম সচিবসহ তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে গাড়িতে উঠে চলে যান।
