Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে এসে কৈশোরের স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রবাসী

Icon

গাইবান্ধা ও সাদুল্লাপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে এসে কৈশোরের স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রবাসী

হেলিকপ্টার দেখতে শিশু-নারীসহ উৎসুক জনতার ঢল

ইউসুফ আলী সোহেল কাতার প্রবাসী। কৈশোর থেকে স্বপ্ন দেখেন হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করার। সেই স্বপ্ন পূরণে সিলেটের বিশ্বনাথ থেকে হেলিকপ্টারযোগে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বিয়ে করতে এসেছেন তিনি।

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরের দিকে সাদুল্লাপুরের সাবুর চাতালে বর হেলিকপ্টার নিয়ে পৌঁছেন। এরপর আধা কিলোমিটার সড়ক পথে মাইক্রোবাসযোগে কনে আবদিয়া আক্তার রুবাইয়ার বাড়িতে আসেন।

এ সময় এক নজর হেলিকপ্টার দেখতে শিশু-নারীসহ উৎসুক জনতার ঢল নামে।

বর ইউসুফ আলী সোহেল সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার পাকিচিরি গ্রামের ইসমাইল আলী চমকের ছেলে। তিনি বিদেশের কাতারে একটি ব্যবসা করেন।

কনে আবদিয়া আক্তার রুবাইয়া সাদুল্লাপুর উপজেলা জামালপুর ইউনিয়নের হামিন্দপুর গ্রামের নুরে আলম রেজার মেয়ে।

এদিকে হেলিকপ্টারটি সাবুর চাতালে অবতরণ করতেই মুহূর্তে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। আর শিশু, বৃদ্ধ, নারী সবার হাতে মোবাইলে কেউ ভিডিও করছেন, কেউবা সেলফি তুলছেন।

এ সময় হেলিকপ্টার দেখতে আসা একাধিক শিশু বলে, এর আগে বাস্তবে আমরা কখনো হেলিকপ্টার দেখিনি। এই প্রথম আমাদের এলাকায় হেলিকপ্টার দেখে আনন্দ লাগছে।

এ সময় হেলিকপ্টার দেখতে আসা অনেকেই বলেন, কি দিন আলো বাহে- গরুর গাড়ির বদলে এখন বিয়েতে হেলিকপ্টার চালু হলো। মানুষের কতো রকমের আশা থাকে।

পাত্র এক ফাঁকে বলেন, জীবন তো অনেক বড়। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। তার বিয়েতে একটা চমক থাকবে- এইটাই ছিল আমার স্বপ্ন। তাই আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ পূরণ হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

স্থানীয় সোলায়মান মিয়া বলেন, এই গ্রামে বিয়ে করতে কখনো হেলিকপ্টার আসেনি। এই প্রথম আমাদের এলাকায় হেলিকপ্টার দেখে আনন্দ লাগছে।

বরের পক্ষ থেকে তার ভাই জানান, ছোটবেলা থেকে আমার ভাই সোহেলের স্বপ্ন ছিল হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করবে। আল্লাহর রহমতে সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিল। এই নব দম্পতির জন্য সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশা করছি।

এদিকে কনের পিতা নুরে আলম রেজা বলেন, কাতার প্রবাসী সোহেল মিয়ার সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে হওয়ায় আমি অনেকটাই গর্বিত। সেই সঙ্গে নতুন মেয়ে জামাই হেলিকপ্টারযোগে আমার বাড়িতে বিয়ে করতে আসায় এলাকাবাসীর মধ্যে এক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। আমার এই মেয়ে জামাইয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .