Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরু চোরের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার যোগসাজশের অভিযোগ

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরু চোরের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার যোগসাজশের অভিযোগ

অভিযুক্ত এসআই মোহাম্মদ মাসুদ (বামে) এবং গরু চুরির দায়ে আটক আলাল মিয়া ( ডানে)। ছবি: যুগান্তর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় গরু চুরির ঘটনায় আটক এক চোরের সঙ্গে পুলিশের এক এসআইয়ের যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে।  বিভিন্ন সময়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ মাসুদকে টাকা দিতেন এবং বিনিময়ে সহযোগিতা পেতেন বলে জানিয়েছেন চুরির দায়ে আটক আলাল মিয়া। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) রাতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দশানি গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়ার একটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন আলাল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে গরুটি উদ্ধার করেন। পরে আলাল মিয়া চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী। আলালের বাড়ি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জগন্নাথপুর হলেও পাশের ইউনিয়ন বাঁশগাড়ি গ্রামে বসবাস করেন। 

এ সময় স্থানীয়রা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করলে সেখানে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগের বিভিন্ন তথ্য দেখতে পান বলে জানান তারা। ইমো অ্যাপে ভয়েস মেসেজ, চ্যাট ও ফোনালাপের আলামত পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের কাছে আলাল মিয়া দাবি করেন, তিনি একসময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ওই সময় এসআই মাসুদ তাকে ধরতে তার বাড়িতে গেলে পরে ফোনে যোগাযোগ হয় এবং সেখান থেকেই সম্পর্কের সূত্রপাত। 

তার অভিযোগ, পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে টাকা দিতেন এবং বিনিময়ে সহযোগিতা পেতেন। সর্বশেষ গরু চুরির সময়ও তিনি এসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে দাবি করেন। গরু চুরির আগে এসআইকে কল দিয়ে চুরি করতে যাচ্ছে বলেন এবং অসুবিধা হলে সহযোগিতার কথা বলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি তাকে না চিনেই ইমুতে কথা বলেছি এটা সত্য। তার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, দশানি গ্রামের গরু চুরির ঘটনায় আলাল মিয়া নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের এক স্টাফের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি আমরা শুনেছি। যদি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .