Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

কাঠগড়ায় বর্তমান-সাবেক মন্ত্রীসহ বিএনপির তিন প্রভাবশালী

Advertisement

Icon

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম

কাঠগড়ায় বর্তমান-সাবেক মন্ত্রীসহ বিএনপির তিন প্রভাবশালী

কাঠগড়ায় বর্তমান-সাবেক মন্ত্রীসহ বিএনপির তিন প্রভাবশালী

Advertisement

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন শ্রম, কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সংসদের সরকার দলীয় হুইপ জিকে গউছ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।

সোমবার দুপুরে সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন তারা। এ মামলাকে মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তারা।

একই সঙ্গে মামলা থেকে নিজেদের অব্যাহতির দাবি জানান এই তিন আসামি।

এসব তথ্য জানিয়ে মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী এটিএম ফয়েজ জানান, মামলার রায় দেওয়ার আগে আজ ৩৪২ ধারায় আদালতে আসামি পরীক্ষা করা হয়। এতে আরিফুল হক, লুৎফুজ্জামান বাবর, জিকে গৌছসহ অন্য আসামিরা সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এ সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন তারা।

আদালতে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনকালে সংসদের হুইপ জিকে গউছ বলেন, এ মামলার কারণে ২৬ মাস নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কেবল বিএনপি করার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এ মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি মামলার বাদীর শাস্তি দাবি করছি।

দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি আবুল হোসেন জানান, আসামি পরীক্ষা শেষে আদালত আগামী ২১ এপ্রিল যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে আরিফুল হক চৌধুরীসহ অন্য আসামিরা আদালত চত্বরে এসে হাজির হন। এ সময় বিপুলসংখ্যক আইনজীবী ও দলীয় নেতাকর্মী তাদের ঘিরে রাখেন। এ মামলার শুনানির জন্য আদালতের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়।

পরে শুনানিতে সিলেট জেলা পিপি আশিক উদ্দিন, মহানগর পিপি বদরুল আলম চৌধুরীসহ অনেকে অংশ নেন।

২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনি এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাইবাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। গ্রেনেড বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলে নিহত ও ২৯ জন আহত হন। হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

ওই ঘটনায় দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

২০২০ সালের ২২ অক্টোবর সুরঞ্জিত সেনের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনার দুটি মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, তৎকালীন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জিকে গৌছসহ ১০ জনকে আসামি করে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষী রয়েছেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম