Logo
Logo
×

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন

দুই উপজেলার ভোট কেন্দ্র নিরাপত্তা জোরদার

Icon

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

দুই উপজেলার ভোট কেন্দ্র নিরাপত্তা জোরদার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্থগিতকৃত শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল)।

এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার ১২৮টি ভোট কেন্দ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে বলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে দুই উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ৪ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।

নতুন তফসিল অনুযায়ী, এ আসনে বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মাসুদুর রহমান ও সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন ঘিরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন রয়েছে ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনী। এছাড়া নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটসহ পর্যবেক্ষকরাও দায়িত্ব পালন করবেন। 

ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল জানান, প্রশাসন থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার লক্ষ্যে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাতে আমি সন্তোষ প্রকাশ করেছি। এছাড়া আমি যেহেতু সরকারদলীয় প্রার্থী তাই সরকারের গায়ে যেন কোনো কালি লেপন না হয় সেজন্য সতর্ক আছি। তবে জামায়াতের প্রার্থী এবং তার কিছু সমর্থক উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করছেন এবং উগ্র কথাবার্তা বলছেন যেন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। তবে শেষপর্যন্ত প্রশাসন যদি কঠোর থাকে তবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এবং আমার বিজয় সুনিশ্চিত।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান জানান, প্রশাসন এবং জেলার রিটার্নিং অফিসার আমাদের যেভাবে আশ্বস্ত করেছেন, তারা যদি নির্বাচনের দিন তাদের সেই কথামতো কাজ করেন তাহলে আমি বিপুল ভোটে জয়ী হব ইনশাআল্লাহ।

দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভার মোট ১২৮টি কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, যার মধ্যে ২৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ইতোমধ্যে দুই উপজেলায় নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ১৬ প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি, ৭টি সেনাবাহিনী টিম, ১০টি র‌্যাবের টিম, পুলিশ, আনসারসহ প্রতিটা কেন্দ্রে ৬ জন করে আর্মস পুলিশ থাকবে এবং ১৩ জন করে আনসার থাকবে। প্রতিটা ইউনিয়নে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ টিম কাজ করবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম