Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

হাসাপাতালে ক্রিকেট খেলতে বাধা দেওয়ায় মাসহ মেয়েকে পিটিয়ে জখম

Advertisement

Icon

গোসাইরহাট (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

হাসাপাতালে ক্রিকেট খেলতে বাধা দেওয়ায় মাসহ মেয়েকে পিটিয়ে জখম

পরিদর্শিকা নাহিদা।

Advertisement

শরীয়তপুর গোসাইরহাটে হাসাপাতালের ভেতর কোয়াটার কলোনীতে ক্রিকেট খেলতে বাধা দেওয়ায় পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও তার তিন মেয়ে আহত। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধা ৬টায় উপজেলা কোদালপুর ১০শয্যা বিসিষ্টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

এসময় পরিবার পরিকল্পনার পরিদর্শিকা নাহিদা (৪০) তার বড় মেয়ে হাফসা (১২) মেজ মেয়ে তায়েবা (৯) ও ছোট মেয়ে মিম(৭) আহত হন। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ভোক্তভুগী নাহিদা কোদালপুর ১০ শয্যা বিসিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ হাসপাতালের পরিদর্শিকা হিসেবে দ্বায়িত্বে রয়েছেন ও তিন মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই কোয়ার্টারে বসবাস করেন।

অভিযুক্ত রাফিন গাজী (২৩) কোদালপুর ইউনিয়নের রফিক গাজীর ছেলে। তিনি নিয়মিত ঐ হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে ক্রিকেট খেলতেন। 

ভোক্তভুগী নাহিদা জানান, আমি চাকরির সুবাধে আমার মেয়েদের নিয়ে হাসপাতাল কোয়ার্টারে থাকি প্রতিদিন রাফিন অন্যান্য ছেলেদের নিয়ে হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে ক্রিকেট খেলেন। তাকে খেলতে বারন করলেও সে কথা শুনে না। আমি বললাম আমার মেয়েদের নিয়ে বাসায় একা থাকি তোমরা প্রতিদিন হাসপাতালের ভেতরে এভাবে বিভিন্ন ছেলেদের নিয়ে খেলাধূলা করে। আজকেও বিকেলে ক্রিকেট খেলা শেষ হলেও তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতেলের ভেতরেই ছিলেন। আমি বললাম গেট বন্ধ করে দেবো। এরই মধ্যে রাফিন এসে আমাকে বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি প্রতিবাদ করে বলি আমাকে গালি দিলেন কেন, বের হন আমি গেট তালা দেবো। এর একপর্যায়ে রাফিনের হাতে থাকা ক্রিকেটের ব্যাট দিয়ে আমাকে বেধড়ক পেটাতে থাকে এসময় আমার মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ হলে আমার ডাকচিৎকারে আমার মেয়েরা আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাদেরকেও পিটিয়ে জখম করে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় মো. রাজু বলেন, আমি এসে দেখি রাফিন ব্যাট দিয়ে মা মেয়েকে পেটাচ্ছে। রাফিন প্রতিদিন হাসপাতালের ভেতরে ক্রিকেট খেলে। না বললেও শুনে এবিষয়টি উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছিলো।

তবে ঘটনা স্বীকার করে অভিযুক্ত রাফিন বলেন, আমি এখানে ক্রিকেট খেলতে এলে সে আমাকে গালিগালাজ করে আমাকে মারতে আসলে আমি নিজের আত্মরক্ষায় তাকে পিটিয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ফাহিম আহমেদ জানান, বিষয়টি শুনেছি হাসপাতালের ভেতরে ক্রিকেট খেলাধূলা করে। সন্ধ্যা হলে আমাদের পরিদর্শিকা নাহিদা তাদের বের হতে বললে তাকে পিটিয়ে আহত করে।

শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) মো. শামসুল আরেফীন বলেন, মারপিটের বিষয়টি লিখিত অভিযোগের আলোকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম