পূর্বের মজুত করা তেল নতুন দামে বিক্রি
Advertisement
বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রংপুরের বদরগঞ্জে নতুন দামে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হওয়ায় পেট্রল পাম্পে দেখা দিয়েছে ভিড় ও দীর্ঘ লাইন। মেসার্স শাহ ফিলিং স্টেশনে পূর্বের পেট্রল মজুত থাকার পরও সেই তেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা ৯৪ পয়সায় বিক্রয় হচ্ছে।
হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ ও পরিবহণ চালকদের মধ্যে এক ধরনের চাপ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাত ১১টা পর্যন্ত মেসার্স শাহ ফিলিং স্টেশনে পাম্পে মোটরসাইকেল ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়।
অনেকেই অভিযোগ করেছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও দ্রুত তেল নিতে পারছেন না।
এদিকে রংপুর জ্বালানি তেলে দৈনিক প্রতিবেদনের তালিকায় দেখা যায়, গত ১৭ এপ্রিল মেসার্স শাহ ফিলিং স্টেশন ডিজেল মজুত ৪ হাজার ৫০০ লিটার, পেট্রল মজুদ ৩ হাজার লিটার, অকটেন ২৫০ লিটার। ১৮ এপ্রিলের প্রতিদিনের তালিকায় দেখা যায় মজুত ডিজেল ৪ হাজার ৫শ লিটার, পেট্রল ২৫০ লিটার, অকটেন ২ হাজার ৫শ লিটার। সেই জ্বালানি তেলগুলো ১৯ এপ্রিল সরকারের নির্ধারিত মূল্যে সকাল থেকে দেওয়া শুরু হয়।
তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকরা অভিযোগ করেন, শনিবার রাতে তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়। সেই নির্ধারিত দামেই তেল দিচ্ছে। দেখার কেউ নেই।
স্থানীয় কয়েকজন চালক জানান, হঠাৎ দাম বাড়ায় খরচ বেড়ে গেছে। তাই অনেকে একসঙ্গে বেশি তেল নিতে আসায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
পাম্প মালিকদের মতে, নতুন দামের কারণে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
মেসার্স শাহ ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও ট্যাগ অফিসার আরিফুল ইসলাম জানান, আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন পাম্পে তেল আসলে আনলোড করার সময় উপস্থিত থাকার। পাম্পে কবে তেল আসছে আমাকে জানানো হয়নি। তেল আগে থেকেই মজুত ছিল। সেই তেল আজ ১৩৫ টাকা ৯৪ পয়সায় বিক্রি করা হচ্ছে।
দাম বৃদ্ধির প্রভাব পরিবহণ খাতসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও পড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
এ বিষয়ে তেল মেসার্স শাহ ফিল্ম পাম্পের মালিক বকুল শাহ তেল মজুত ও নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তেল পেয়েছি চালকদের দিচ্ছি।
পূর্ব তেল মজুতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার তেল পাম্পে কোনো তেল মজুত ছিল না।
উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানান, মেসার্স শাহ ফিল্ম পাম্পে সরকারের নির্ধারিত মূল্যে তেল দিচ্ছে আমি গিয়েছিলাম।
পূর্বের মজুত করা তেল দিচ্ছে নির্ধারিত দামে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। জেনে জানানো হবে।
