Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

নির্বাচন অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে সেবাগ্রহিতাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ

Icon

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম

নির্বাচন অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে সেবাগ্রহিতাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিস। ছবি: যুগান্তর

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে এক নারীকে (২০) অনৈতিক প্রস্তাব ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনার বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ওই নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলা নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. সাইফুল ইসলাম এবং স্কানিং এন্ড ইকুইফমেন্ট মেইনটেইন অপারেটর আসাদুজ্জামান।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, প্রায় দুই মাস আগে ভোটার হওয়ার জন্য কচুয়া নির্বাচন অফিসে আবেদন করেন তিনি। আবেদনের প্রেক্ষিতে দাখিলকৃত নথিপত্র থেকে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন ওই অফিসের কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. আসাদুজ্জামান। নম্বর সংগ্রহের পর থেকেই ওই দুই কর্মচারী কাজের অজুহাতে তাকে বারবার অফিসে ডাকতেন এবং ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করতেন। এক পর্যায়ে কৌশলে ইমো ভিডিও কলের মাধ্যমে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।

তিনি জানান, সাইফুল ও আসাদুজ্জামান তাকে ভোটার কার্ড করে দেওয়ার বিনিময়ে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ধারণকৃত ছবি ও ভিডিও তার স্বামী ও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে সংসার ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। বিভিন্ন ইমো নম্বর ব্যবহার করে তাকে ক্রমাগত মানসিক হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করে। এতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তাদের চাকরি থেকে অপসারণ দাবি করেন ওই ভুক্তভোগী নারী।

অভিযুক্ত মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কাজের প্রয়োজনে কয়েকদিন কথা বলেছি। ওই মেয়েও আমাকে ফোন করেছে। বারবার কথা হয়েছে। পরে আমি বলেছি- তোমার তো স্বামী-সন্তান আছে, আমাকে ফোন কর কেন?

কাজের প্রয়োজনে ইমোতে কেন কথা বললেন এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফুল বলেন- এটা যদি ভুল হয়, আমি ভুল করেছি। তবে, আমি তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করিনি।  

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আছাদুজ্জামানকে বার বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম বলেন, এ বিষয়টি আমি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যেহেতু ওই নারী আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেনি, তাই আমরা আমাদের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী হাসান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .