চসিকের পাওনা ২৬৪ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিচ্ছে না বন্দর: মেয়র
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আমাদের পাওনা ২৬৪ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিচ্ছে না বন্দর। ভারি গাড়ি চলে সব রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। ক্ষতিপূরণ চাই না, ন্যায্য ট্যাক্স চাইছি।
সোমবার (১১ মে) নগরীর র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে চট্টগ্রাম শহরে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে চুক্তি নবায়ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বন্দরের কাছ থেকে পাওনা হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে নৌ পরিবহণ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব বলার পরও বন্দর চেয়ারম্যান টাকা দেয়নি।
তিনি বলেন, ডোর টু ডোর প্রকল্প অনেক চিন্তা করে চালু করেছিলাম। চট্টগ্রাম শহরে দিনে ময়লা কালেকশন হয় ২ হাজার ২০০ টন। আর এক হাজার টন খাল-নালায় চলে যায়। পাশের বাড়ি-ঘর ও স্থাপনা থেকে এসব বর্জ্য খালে ফেলা হয়। আর বিভিন্ন রকম যানবাহন থেকে সব বর্জ্য রাস্তায় ফেলে দেয়। প্রথমত গণসচেতনতা যতক্ষণ না বাড়বে যত টাকা ঢালি, জলের টাকা জলে যাবে। শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহে ডোর টু ডোরের বিকল্প নেই।
চসিক মেয়র বলেন, বর্জ্য সংগ্রহ বাবদ যখন টাকা নিচ্ছিল, এটা নিয়ে প্রচার শুরু হয়ে যায় সিটি করপোরেশন টাকা নিচ্ছে অথচ এ কাজে আমরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এজেন্ট নিয়োগ দিয়েছিলাম। ডোর টু ডোর প্রকল্পের জন্য সিটি করপোরেশনের লোকবল ১ হাজার ৮০০ জন। এক ওয়ার্ডে গড়ে ২ লাখ লোকের জন্য ৪০ জন সংগ্রহকারী কি যথেষ্ট? আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ট্যাক্স নিই। বাসা থেকে আনার জন্য ট্যাক্স আমরা নিই না। এটা কাউকে বোঝাতে পারছি না।
এ সময় মেয়র চট্টগ্রাম নগরীতে গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন।
চসিক সূত্র জানায়, ২০২২ সাল থেকে চসিকের সঙ্গে নগরীতে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও রিসাইক্লিং নিয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ইয়ং পাওয়ার ইন স্যোশাল অ্যাকশন (ইপসা)। সোমবার প্রকল্পটির কার্যক্রম চলমান রাখতে চুক্তি নবায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ইপসা’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিইও ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুহুল কুদ্দুস খান এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, পার্টনারশিপস ও কমিউনিকেশনস পরিচালক শামিমা আক্তার।

-6a01f875e2e4e.jpg)