ময়মনসিংহে ড্রেন দখল করে ভবন নির্মাণ, বহির্ভূত অংশ অপসারণ
ময়মনসিংহ ব্যুরো
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ১১:০০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ড্রেনের জায়গা না ছেড়ে নগরীতে ভবন নির্মাণ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়ায় নিয়মবহির্ভূত অংশ অপসারণ করেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন।
সোমবার সকালে নতুনবাজার ট্রাফিক মোড় এলাকায় সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রোকুনুজ্জামান সরকার রোকনের নেতৃত্বে কর্মকর্তারা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
সিটি প্রশাসনের এমন তৎপরতার ফলে ভবন মালিকরা নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিজ খরচে ড্রেন পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দেন।
অভিযানে ইউনাইটেড বিল্ডার্স ও মিষ্টির দোকানের মাঝখানে থাকা সরু হয়ে যাওয়া নালাটির পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে নালাটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকুনুজ্জামান সরকার রোকন অভিযানে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, পার্কিংয়ের জায়গায় দোকান হিসেবে ভাড়া দেওয়ায় ব্যস্ততম নগরীর এ সড়কে যানবাহন রাস্তার উপর পার্কিং করায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যানজট নিরসন ও জলাবদ্ধতা দূর করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি জানান, নগরীতে নতুন বহুতল ভবনের কারণে ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ড্রেনগুলো পুনরায় সচল করতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এখানেও বহুতল ভবনের কারণে ড্রেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ভবন মালিক নিজের ভুল স্বীকার করে নিজ খরচে ড্রেন পুনরায় চালু করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
জানা গেছে, অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘন করে নির্মিত স্থাপনা অপসারণে সম্প্রতি নোটিশ দেওয়া শুরু করে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। এর অংশ হিসেবে নতুন বাজার এলাকায় ইউনাইটেড বিল্ডার্স ও মিষ্টিকানন ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভবন দুটি নালার জায়গা না ছেড়ে নির্মাণ করা হয়েছে।
এছাড়া গার্ডেন সিটি ভবনের বেইজমেন্ট পার্কিংয়ের জায়গা মার্কেট হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় নতুনবাজারের গার্ডেন সিটি ভবন এবং গাঙ্গীনারপাড় মোড় এলাকায় ইউনাইটেড বিল্ডার্সের সামনে নোটিশ টানিয়ে দেয় সিটি করপোরেশন। নোটিশে অবৈধ নির্মাণ অপসারণ এবং পার্কিং স্থান বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রোকুনুজ্জামান রোকনের উপস্থিতিতে পরিচালিত অভিযানকালে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুমনা আল মজীদ, প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম মিয়া, নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস, নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল হকসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও ভবন মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
