Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

অবশেষে ১০ ঘণ্টা পর বিদ্যুতের দেখা পেল ঝিকরগাছাবাসী

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন ও যশোর ব্যুরো

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০১:৫৩ এএম

অবশেষে ১০ ঘণ্টা পর বিদ্যুতের দেখা পেল ঝিকরগাছাবাসী

ফাইল ছবি

অবশেষে ১০ ঘণ্টা পর বিদ্যুতের দেখা পেয়েছে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলাবাসী। শুক্রবার বিকালে ঝড় শুরু হলেই উপজেলা সদরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১০ ঘণ্টা পর শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে প্রথমে উপজেলা সদরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়। এর পর রাত দেড়টার দিকে পর্যায়ক্রমে পদ্মপুকুর, চাঁপাতলা ও কাশিপুরসহ আশপাশের সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।

জানা গেছে, একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে সারা বছর ধরে পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে কম-বেশি অভিযোগ লেগেই থাকে। এছাড়া রাজধানীসহ শহর এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গিয়ে গ্রামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চলে।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় শুক্রবার (২৯ মে) বিকালে ঝড় হয়। ঝড় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উপজেলা সদর ছাড়াও পদ্মপুকুর, চাঁপাতলা ও কাশিপুরসহ আশপাশের সব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের অনেকেই তাদের ক্ষোভ ও অসন্তোষের কথা জানান। 

এদিকে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে কুরবানির মাংস নিয়ে বিপাকে পড়েন ভুক্তভোগী উপজেলাবাসী। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ফ্রিজের ভেতরে থাকা মাংস নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়। 

গ্রাহকদের অভিযোগ, সামান্য বাতাস কিংবা হালকা বৃষ্টিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বাসাবাড়িতে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়।

গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট আরও বেড়ে যায় বলে তারা জানান।

গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর অনেক সময় পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ নম্বরে যোগাযোগ করলেও সাধারণ গ্রাহকদের ফোন ধরেন না তারা। কিন্তু বিদ্যুৎ বিলে কোনো ছাড় দেওয়া হয় না।  আর এসব অভিযোগ শোনার মতো কেউ নেই। 

আবার অনেক এলাকায় লাইন মেরামতে দীর্ঘ সময় লাগায় ক্ষোভ বাড়ে গ্রাহকদের মধ্যে।

তারা আরও জানান, বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা ছিল।  অনেকের বাসা-বাড়িতে কুরবানি হয়েছে।  মাংস বিলি-বণ্টনও সম্পন্ন হয়েছে।  প্রচুর পরিমাণে মাংস ফ্রিজে রাখা হয়েছে।  তবে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে থাকা মাংস নিয়ে বিপাকে পড়েন সবাই। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ঝিকরগাছার ডিজিএম ইমাম হাসান যুগান্তরের যশোর ব্যুরোকে বলেন, ঝড়ে বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের উপর গাছ পড়েছে। এছাড়াও কয়েকটি জায়গায় তার ছিঁড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .