Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

আধিপত্য নিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

Advertisement

Icon

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৪:১৫ এএম

আধিপত্য নিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

Advertisement

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পানহাটির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আহত জামায়াত নেতা সামিউল ইসলাম অভি (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার (৩০ মে) রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহত সামিউল ইসলাম অভি পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের অফিস সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি হোসেনপুর ইউনিয়নের সাবেক ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পৌর শহরের সিধনগ্রাম এলাকার আকবর আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত ২০ মে বিকালে উপজেলার ছোটশিমুলতলা পানহাটিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের ছোড়া ইটের আঘাতে সামিউল ইসলাম অভি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে তাকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে গত ২৯ মে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

সামিউলের অসুস্থতার সময় জামায়াত নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন। মৃত্যুর পর বিভিন্ন পোস্টে তার মৃত্যুর বিচার দাবি করা হয় এবং ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত—উভয়পক্ষই পলাশবাড়ী থানায় পালটাপালটি মামলা দায়ের করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পলাশবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) প্রদীপ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় আগেই দুইপক্ষ থেকে কাউন্টার মামলা করা হয়েছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চান মিয়া বলেন, সামিউলের শরীরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা থাকলেও সংঘর্ষের সময় তার বুকে ইটের আঘাত লেগেছিল। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অপরদিকে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মণ্ডল দাবি করেন, পানহাটির ওই ঘটনার সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

গাইবান্ধা জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশীদুল বারী বলেন, সামিউলের মৃত্যু সরাসরি ওই ঘটনার কারণে হয়েছে কিনা, নাকি অন্য কোনো শারীরিক জটিলতার কারণে হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম